Jantar Mantar: যন্তর মন্তরে আর বিক্ষোভ নয়? দিল্লি পুলিশের বিজ্ঞপ্তির পরেই সিজেপির পাল্টা হুঁশিয়ারি

Published : Oct 12, 2026, 03:45 PM IST

CJP Vs Delhi Police: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে দিল্লি পুলিশকে চিঠি দিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন দলের নেতারা।

PREV
18
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর দাবি

যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে সোমবার দিল্লি পুলিশকে চিঠি দিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। বিক্ষোভের জন্য পুলিশকেই একটা দিন ঠিক করে দিতে বলেছে তারা। পাশাপাশি, জবাব দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামও দেওয়া হয়েছে।

28
দিল্লি পুলিশের বিজ্ঞপ্তি

সম্প্রতি এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখানোর জায়গা হিসেবে যন্তর মন্তরকে আর ব্যবহার করা যাবে না। এর বদলে দিল্লি পুলিশ তিনটি নতুন জায়গা ঠিক করে দিয়েছে। এই তিনটি জায়গা হলো— রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড।

38
দিল্লি পুলিশের দাবি

নাগরিকদের প্রতিবাদ করার অধিকার যাতে বজায় থাকে, তার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (এমএইচএ) একটি কমিটি গঠন করেছিল। যন্তর মন্তরের বদলে অন্য কোথায় ধর্না দেওয়া যায়, সেটাই এই কমিটির দেখার কথা ছিল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওই কমিটির সুপারিশ মেনেই যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদের জায়গা হিসেবে বাতিল করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার জানিয়েছেন, এই তিনটি নতুন জায়গায় কীভাবে প্রতিবাদ বা ধর্না করা যাবে, তার জন্য খুব শিগগিরই একটি নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) বা নির্দেশিকা জারি করা হবে। ২০২২ সালের ২৮ এপ্রিলের পুরনো নির্দেশিকাকে কিছুটা বদল করেই এই নতুন নিয়ম আনা হয়েছে।

48
CJPর চিঠি

সিজেপি কর্মী সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশকে (ডিসিপি) একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তাঁরা প্রশাসনের কাছে পুলিশি কড়াকড়ি কমানোর আর্জি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে যন্তর মন্তরে তাঁদের শান্তিপূর্ণ জমায়েতের অনুমতি দিতে বলেছেন। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশের মাত্রাতিরিক্ত কড়াকড়ির কারণে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীতে সাধারণ মানুষ চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

58
আম জনতার জীবন যাত্রা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ ককরোচদের

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, "গোটা শহরে ৫৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা একপ্রকার থমকে গেছে। রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা মানুষজন, সাধারণ নাগরিক এবং সাংবাদিকদের বেআইনিভাবে আটক করা হচ্ছে। শারীরিক হেনস্থা, মারধর এবং গভীর রাত পর্যন্ত আটকে রাখার মতো অভিযোগও সামনে আসছে।" এছাড়া, রাস্তায় ব্যারিকেড থাকায় দোকানপাট ও ব্যবসায়েও আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

68
স্থান যন্তর মন্তর, তবে দিন ঠিক করুক পুলিশ

বিক্ষোভের আগে পুলিশকে আগাম জানানোর যে নিয়ম রয়েছে, সেই প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন আয়োজকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, প্রশাসন চাইলে নিজেদের পছন্দমতো যেকোনো দিন বিক্ষোভের জন্য ঠিক করে দিতে পারে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, "সরকার ও পুলিশের তরফ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয় যে, অন্তত ১০ দিন আগে বিক্ষোভের কথা জানানো হয়নি। তাই আমরা আপনাদেরই সুযোগ দিচ্ছি, আপনারা নিজেদের পছন্দমতো একটা দিন ঠিক করে আমাদের যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর অনুমতি দিন।"

শান্তিপূর্ণভাবে জমায়েত করা যে সংবিধান স্বীকৃত অধিকার, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে সিজেপি। তাদের স্পষ্ট দাবি, সাধারণ নাগরিক, ছাত্র এবং যুবসমাজকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করা থেকে কোনোভাবেই আটকানো যাবে না।

78
২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিল্লি পুলিশকে

তবে, একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই চিঠির জবাব চেয়েছে দলটি। চিঠিতে কড়া ভাষায় বলা হয়েছে, "চিঠি পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাদের জবাব দিতে হবে। তা না হলে, বাধ্য হয়েই বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আপনারা যদি জবাব না দেন এবং যন্তর মন্তরে আমাদের জায়গা না দেন, তাহলে ককরোচ জনতা পার্টি গণবিক্ষোভের জন্য নতুন দিন ঘোষণা করবে।"

88
পুলিশকে সুযোগ দিতে চায় সিজেপি!

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিজেপি কর্মী আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, তাঁরা বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে দিল্লি পুলিশকে চিঠি দিয়েছেন। পাশাপাশি, প্রশাসনকেই বিক্ষোভের জন্য একটা উপযুক্ত দিন ঠিক করে দিতে বলেছেন।

তিনি বলেন, "আমরা আগেই বলেছিলাম, পুলিশকে আমরাই একটা দিন ঠিক করার সুযোগ দেব। সেইমতো চিঠি নিয়ে আমরা দিল্লি পুলিশের কাছে এসেছি। ডিসিপি সাহেব ভুল করে ঘরে ঢুকে পড়েছিলেন, কিন্তু আমাদের বসে থাকতে দেখে তিনি বেরিয়ে যান। ফলে তাঁর সঙ্গেও আমাদের দেখা হয়নি। অ্যাডিশনাল ডিসিপি এবং এসএইচও-ও থানায় নেই। মনে হচ্ছে, সিজেপি আসার পর গোটা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানাই ফাঁকা হয়ে গেছে। যাই হোক, আমরা আমাদের চিঠি জমা দিয়েছি এবং অনুমতির জন্য পুলিশকে জানিয়েছি।"

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories