Kedarnath: পুণ্য অর্জন করতে চান না প্রতারিত হতে চান? কেদারনাথ যাওয়ার আগে সাবধান!

Published : Sep 30, 2026, 03:32 PM ISTUpdated : Sep 30, 2026, 03:51 PM IST
Kedarnath

সংক্ষিপ্ত

Kedarnath Tour: সোশ্যাল মিডিয়া ও সিনেমার সুবাদে কেদারনাথ এখন বেশিরভাগ মানুষেরই স্বপ্নের জায়গা। তবে কেদারনাথ যাওয়া খুব সহজ নয়। পাহাড়ি পথে হেঁটে ওঠার ধকল তো আছেই, তার সঙ্গে থাকছে প্রতারিত হওয়ার ভয়। এই কারণে কেদারনাথ যাওয়ার আগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

DID YOU KNOW ?
উখীমঠেও পুজো হয়
কেদারনাথ মন্দির বন্ধ হওয়ার সময় মূল বিগ্রহ উখীমঠে নামিয়ে আনা হয়। প্রতি বছর ৬ মাস সেখানেই পুজো হয়।

Kedarnath Tourism: কেদারনাথ যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন? হেলিকপ্টারে যাওয়ার ইচ্ছা আছে? তাহলে এখনই পরিকল্পনা করুন। কারণ, খুব বেশি সময় নেই। প্রতি বছর দীপাবলির পরেই কেদারনাথ মন্দির বন্ধ হয়ে যায়। তখন বিগ্রহ নামিয়ে আনা হয় উখীমঠে। তাই এ বছরই কেদারনাথ যাওয়ার ইচ্ছা থাকলে দ্রুত বেরিয়ে পড়ুন। হেলিকপ্টার পাবেন তিন জায়গা থেকে। সবচেয়ে সুবিধা হয় উত্তরাখণ্ডের সেরসি থেকে। এখান থেকে কেদারনাথে যাতায়াতের খরচ ৬,৩৯০ টাকা। এর সঙ্গে ১৮ শতাংশ জিএসটি ও ৩০০ টাকা ফি দিতে হয়। ফাটা থেকে কেদারনাথে যাতায়াতের খরচ ১০,১৬৪ টাকা। এর সঙ্গে সেরসির মতোই অতিরিক্ত খরচ হয়। গুপ্তকাশী থেকেও হেলিকপ্টারে কেদারনাথে যাতায়াত করা যায়। তবে এখান থেকে খরচ সবচেয়ে বেশি। ১২,৭৬২ টাকা মূল খরচ। তার সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ হয়। সেরসি থেকে যাওয়াই সবচেয়ে সুবিধাজনক।

হেলিকপ্টার ছাড়া অন্য কোনওভাবে কেদারনাথে যেতে চান? সাবধান!

কেদারনাথে যাওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রচলিত উপায় হেঁটে ওঠা। গৌরীকুণ্ড থেকে পুণ্যার্থীরা হেঁটে ওঠেন। হেঁটে ওঠার সময় মনে হয় সারা ভারতবর্ষ আপনার সঙ্গে হাঁটছে। পথের দৃশ্য অসাধারণ। তীর্থযাত্রীরা হরিদ্বার থেকে বাসে বা গাড়িতে শোনপ্রয়াগ বা গৌরীকুণ্ড গিয়ে রাত কাটিয়ে পরদিন ভোরে হাঁটা শুরু করেন। কেদারনাথ মন্দির পৌঁছতে প্রায় ২২ কিলোমিটার হাঁটতে হয়। পথে জঙ্গল চোটি, রামওয়াড়া চোটি, ছোটি লিঞ্চোলি, বড়ি লিঞ্চোলির মতো বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা আছে। খাওয়ার অনেক জায়গা আছে। তবে খাদ্য ও পানীয়ের দাম অনেক বেশি। পানীয় জলের এক লিটার বোতলের দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। এক গ্লাস লেবুর জল ৫০ থেকে ৮০ টাকা। এক প্লেট ম্যাগি ৭০ থেকে ১০০ টাকা। ভাত, রুটি, পরোটা, চাউমিনের মতো খাবারও পাওয়া যায়। খরচ ১০০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। গৌরীকুণ্ড থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত হেঁটে উঠতে শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী আট থেকে ১০ ঘণ্টা লাগে। এই সময়ের মধ্যে একাধিকবার হাল্কা ও ভারী খাবার খেতে হয়। পানীয় জলও জরুরি। ফলে খরচ হয়ই। যাঁরা শারীরিক কারণে হেঁটে উঠতে পারেন না, তাঁদের জন্য ঘোড়া, ডুলি, ঝুড়ি আছে। গৌরীকুণ্ড থেকে ঘোড়া পাওয়া যায়। পথেও বিভিন্ন জায়গায় ঘোড়া থাকে। ডুলি হল পালকির মতো। চারজন মিলে একজনকে বসিয়ে কাঁধে তুলে নিয়ে যান। ঝুড়িতে সাধারণত মালপত্র নিয়ে যান একজন পাহাড়ি মানুষ। তবে বাচ্চা ছেলে-মেয়ে বা বয়স্ক কোনও ব্যক্তিকেও বসিয়ে একজনই পিঠে তুলে কেদারনাথ মন্দির পর্যন্ত পৌঁছে দেন।

যাওয়ার পথে পদে পদে সমস্যা

আপনি যদি হেঁটে কেদারনাথ যেতে চান, তাহলে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, আপনার পিছন দিক থেকে ঘোড়ার পাল যাবে। আবার সামনে থেকেও পরপর ঘোড়া নেমে আসবে। ঘোড়া হয় পাহাড় ঘেঁষে, না হলে খাদের ধার দিয়ে যায়। শুধু তীর্থযাত্রী নিয়েই নয়, মালপত্র নিয়েও যাতায়াত করে ঘোড়া। আপনি যদি ধাক্কা খান, তাহলে পাথরে লেগে মাথা ফেটে যেতে পারে, হাত-পা ভেঙে যেতে পারে। খাদে পড়লে তো রক্ষা নেই। তাই সারাক্ষণ ঘোড়াকে পাশ দিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় আবার উপর থেকে পরপর অনেক ঘোড়া ছুটে নামতে থাকে। যা দেখে সাধারণ যাত্রীদের আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। ঘোড়ার সঙ্গে আছেন ডুলি ও ঝুড়ি নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা। তাঁদেরও সবসময় পাশ দিয়ে যেতে হয়। ফলে যাঁরা হেঁটে যান, তাঁদের সবসময় খাড়াই পথে ডান দিকে-বাঁ দিকে সরে যেতে হয়। সম্প্রতি কেদারনাথে গিয়েছিলেন দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরের বাসিন্দা অমিত চক্রবর্তী। উনি বলছেন, 'আমি সবাইকে বলব, হেঁটে কেদারনাথে ওঠা বন্ধ করুন। কারণ, প্রাণ হাতে করে যেতে হয়। আমি যাওয়ার সময় গৌরীকুণ্ড থেকে ঘোড়ায় গিয়েছিলাম। ঘোড়ায় চড়লে কোমর ধরে যায়। তাছাড়া যে কোনও সময় পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। ফেরার সময় হেঁটে নামছিলাম। আমার চোখের সামনে এক বয়স্ক ব্যক্তি ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মাথা ফেটে গেল। এক ব্যক্তি ঝুড়ি থেকে পড়ে গেলেন। আমি দু'বার ঘোড়ার ধাক্কা খেয়েছি। পাথরে ডান হাঁটু ঠুকে গিয়েছে। ভালো চোট পেয়েছি। তার ফলে শেষের কয়েক কিলোমিটার ফের ঘোড়ায় চড়তে বাধ্য হই। নামার সময় খাড়াই রাস্তায় প্রাণ হাতে করে বসে থাকতে হয়েছিল। কোথাও পুলিশ-প্রশাসনের নজরদারি নেই।'

প্রতারণার ফাঁদ পাতা কেদারনাথে

ভারতের অন্যতম বিখ্যাত তীর্থক্ষেত্র কেদারনাথ। প্রতি বছর মে থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী কেদারনাথে যান। কিন্তু এরই সুযোগ নিয়ে যথেচ্ছ প্রতারণা, লোক ঠকানোর ব্যবসা চলছে। তাই যাওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি।

প্রতারণা ১

আপনি যদি যাওয়ার সময় গৌরীকুণ্ড থেকে বা ফেরার সময় আস্তাবল থেকে ঘোড়ায় চড়েন, তাহলে সরকারি দর অনুযায়ী টাকা দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ঠকার আশঙ্কা কম। কিন্তু যদি মাঝপথ থেকে ঘোড়ায় চড়েন, তাহলে ঘোড়ার মালিক আপনার পকেট কাটার জন্য তৈরি। দূরত্ব অনুযায়ী দর কষাকষি হবে। ঘোড়ার মালিক পাঁচ হাজার, চার হাজার, তিন হাজার, দু'হাজার, নানারকম দর বলবেন। আপনি যেরকম দর কাষকষি করতে পারবেন, তার উপর খরচ নির্ভর করছে।

প্রতারণা ২

ডুলির দর সাধারণত ১১ থেকে ১২,০০০ টাকা। কেউ ডুলিতে যাতায়াত করলে ২২ থেকে ২৪,০০০ টাকা খরচ হয়। এর চেয়ে অনেক কম টাকায় হেলিকপ্টারে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু সবার পক্ষে হেলিকপ্টার বুক করা সম্ভব হয় না বলে ডুলিতে যেতে বাধ্য হন। সেক্ষেত্রে পকেট হাল্কা হয়ে যায়।

প্রতারণা ৩

অনেকে ভারী ব্যাগ নিয়ে পাহাড়ি রাস্তায় হেঁটে উঠতে পারেন না। তাঁরা ঝুড়িতে মালপত্র তুলে দেন। হোটেলের নাম বলে দিলে সেখানে মালপত্র পৌঁছে যায়। মালপত্র চুরি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় না। কিন্তু যাঁরা ঝুড়িতে মালপত্র নিয়ে যান, তাঁরা ইচ্ছামতো টাকা চান। গুজরাট থেকে কেদারনাথে যাওয়া এক বয়স্ক পুণ্যার্থীর অভিযোগ, দু'কিলোমিটার যাওয়ার জন্য তাঁর কাছ ২,৭০০ টাকা চেয়েছিলেন এক ব্যক্তি। হাওড়ার বাকসাড়া থেকে সম্প্রতি কেদারনাথে গিয়েছিলেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি ওঠার সময় ডুলি নিয়েছিলাম। ১১,৫০০ টাকা খরচ হয়েছিল। ফেরার সময় প্রথমে অনেক দর কষাকষি করে ঝুড়িতে উঠেছিলাম। দর ঠিক হয়েছিল ৬,৫০০ টাকা। ঝুড়ির জন্য সরকারি পরচা কাটতে হয়। আমি আস্তাবল থেকে উঠেছিলাম। যে আমাকে নিয়ে আসছিল, তাকে বারবার বলছিলাম, পরচা কেটে নাও। ও এড়িয়ে যাচ্ছিল। কিছুদূর যাওয়ার পর আমাকে বলল, আপনার ওজন বেশি। আপনাকে নিয়ে যেতে পারব না। এ কথা বলে নামিয়ে দিল। বাকি পথ হেঁটে নামতে হল।’

প্রতারণা ৪

কেদারনাথে যদি কেউ হেঁটে ওঠেন বা নামেন, তাহলে পথে বিভিন্ন জায়গায় দেখতে পাবেন, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা-সহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে। তিনি সাহায্য চাইবেন। এই ব্যক্তি অনুনয়-বিনয় করে বলবেন, টাকার ব্যাগ হারিয়ে ফেলেছি। পরিবার নিয়ে কোথায় যাব, কী খাব বুঝতে পারছি না। দয়া করে সাহায্য করুন। এই ফাঁদে পা দেবেন না। কারণ, একইরকম বিপদ একসঙ্গে অনেকের হতে পারে না। তাই সাহায্য করার আগে সাবধান।

কেদারনাথ মন্দিরে গর্ভগৃহে প্রবেশ করার ক্ষেত্রেও প্রতারণা!

হুগলির হিন্দমোটরের বাসিন্দা অর্পিতা রায় প্রতি বছর অন্তত দু'বার কেদারনাথে যান। তিনি অভিযোগ করেছেন, 'মন্দির নিয়ে ব্যবসা করছেন একশ্রেণির মানুষ। মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশের নির্দিষ্ট কোনও সময় নেই। ভোরবেলা বা দুপুরে গর্ভগৃহে প্রবেশ করা যায়। পুরোহিতদের একাংশ বলেন, গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে হলে ভোর তিনটেয় গিয়ে লাইন দিতে হবে। গর্ভগৃহে প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার নাম করে একেকজনের কাছ থেকে তাঁরা ১,৫০০ টাকা করে নেন। কিন্তু তাতেও যেতে আপনি গর্ভগৃহে প্রবেশ করে মূল বিগ্রহ স্পর্শ করার সুযোগ পাবেন, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। তাই লাইন দিয়ে পুজো দেওয়াই ভালো। সন্ধেবেলা আরতির সময় মন্দিরে প্রবেশ করা সহজ। তখন লাইন থাকে না বললেই চলে। তবে তখন গর্ভগৃহে প্রবেশ করা যায় না।'

কেদারনাথে সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে

যদি কেউ পাঁচ বছর আগে শেষবার কেদারনাথ গিয়ে থাকেন, তাহলে এখন গেলে আস্তাবল বা বেস ক্যাম্প থেকে বাকি পথ চিনতে পারবেন না। থাকার জন্য প্রচুর তাঁবু হয়েছে, নতুন সেতু হয়েছে, অনেক হোটেল হয়েছে। অতীতে খুব বেশি ধরনের খাবার পাওয়া যেত না। এখন খিচুড়ি-ধোসা থেকে শুরু করে নানা ধরনের খাবার পাওয়া যায়। সব খাবারই অবশ্য নিরামিষ। তাঁবুতে থাকলে খরচ কম হয়। হোটেলের ভাড়া মারাত্মক রকমের বেশি। একদিন থাকার জন্য হোটেলের ঘরের ভাড়া ১৩ থেকে ১৫,০০০ টাকা চাইতে পারে। অনেকজন মিলে গেলে এক ঘরে সবাই থাকলে খরচ ভাগ করে নেওয়া যায়। ছোট দলে গেলে হোটেলে থাকলে খরচ বেশি হয়। এখন কেদারনাথে যাওয়ার পথে মোবাইল নেটওয়ার্ক আছে। ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সমস্যা হয় না। প্রকৃতি একইরকম আছে। মন্দিরের ঠিক পিছনে ও দু'পাশে পাহাড়ের দৃশ্য স্বর্গীয়। কিন্তু মানুষের ভিড়ে ও 'উন্নয়ন'-এর ঠেলায় পরিবেশ বদলে গিয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে ধর্ম-ব্যবসায়ীদের উৎপাত। এই কারণেই কেদারনাথ যাওয়ার আগে সতর্ক হয়ে যাওয়া জরুরি।

কলকাতা থেকে কেদারনাথ কীভাবে যাবেন?

আকাশপথে যেতে হলে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দেরাদুনের জলি গ্র্যান্ট বিমানবন্দর যেতে পারেন। তারপর গাড়ি নিয়ে শোনপ্রয়াগ বা গৌরীকুণ্ড পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে কেদারনাথ যেতে পারেন। ট্রেনে গেলে হাওড়া থেকে কুম্ভ এক্সপ্রেস, দুন এক্সপ্রেস, উপাসনা এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে হরিদ্বার পর্যন্ত যেতে পারেন। তারপর বাস বা গাড়িতে শোনপ্রয়াগ বা গৌরীকুণ্ড পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে কেদারনাথে যেতে পারেন। হরিদ্বার থেকে গৌরীকুণ্ড প্রায় ২৪০ কিলোমিটার। গাড়িতে ১০ ঘণ্টার মতো লাগে।

কেদারনাথ ছাড়া কী দেখবেন?

হরিদ্বার থেকে কেদারনাথ যাওয়ার পথে পাবেন ঋষিকেশ, দেবপ্রয়াগ, রুদ্রপ্রয়াগ, ধারী দেবী মন্দির। শোনপ্রয়াগের কাছেই ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দির। কেদারনাথ থেকে ফেরার পথে উখীমঠ, গুপ্তকাশী, বিশ্বের সবচেয়ে উচ্চতায় অবস্থিত শিব মন্দির তুঙ্গনাথ দেখে আসা যায়। বদ্রীনাথ যেতে হলে রুদ্রপ্রয়াগ থেকে কর্ণপ্রয়াগ, জোশীমঠ হয়ে যেতে হবে। হরিদ্বার থেকে গাড়িতে দূরত্ব প্রায় ৩৩০ কিলোমিটার। যাঁরা চার ধাম যাত্রা করতে চান, তাঁরা গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রীও যেতে পারেন। হরিদ্বার থেকে গঙ্গোত্রীর দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। ঋষিকেশ থেকে উত্তরকাশী হয়ে যেতে হয়। হরিদ্বার থেকে যমুনোত্রীর দূরত্ব ২৫৫ কিলোমিটার। জানকী চটি পর্যন্ত গাড়িতে গিয়ে তারপর পাঁচ-ছয় কিলোমিটার হেঁটে, ঘোড়ায় বা ডুলিতে যেতে হয়।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
৬
প্রতি বছর প্রায় ৬ মাস খোলা থাকে কেদারনাথ মন্দির।
প্রতি বছর অক্ষয় তৃতীয়া থেকে দীপাবলি পর্যন্ত প্রায় ৬ মাস খোলা থাকে কেদারনাথ মন্দির।
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

INDIA Bloc Meeting: ডিএমকে-আপ নেই, তবুও দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক! কী সিদ্ধান্ত নেবে ইন্ডি জোট?
Zorawar Tank: লাদাখে চিনের মোকাবিলায় ভারতের বাজি জোরাওয়ার, কেন ১৮টি ট্যাঙ্কে রফা?