Mamata Banerjee: সিপিএম-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবিকে ফোন মমতার, একজোট হওয়ার বার্তা?

Published : Sep 26, 2026, 10:49 AM IST
Mamata Banerjee: সিপিএম-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবিকে ফোন মমতার, একজোট হওয়ার বার্তা?

সংক্ষিপ্ত

Mamata Banerjee: পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল এবং সিপিএম চিরকালই একে অপরের বিরোধী। কিন্তু এবার সব সমীকরণ সরিয়ে রেখে সিপিএম নেতা এমএ বেবিকে ফোন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের কাজে বেনিয়মের অভিযোগ তুলেই এই ফোনালাপ। বিজেপির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটকে একজোট হওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

Mamata Banerjee: দিল্লিতে এক অভাবনীয় রাজনৈতিক ছবি। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল এবং সিপিএম চিরকালই একে অপরের বিরোধী। কিন্তু এবার সব সমীকরণ সরিয়ে রেখে সিপিএম নেতা এমএ বেবিকে ফোন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নির্বাচন কমিশনের কাজে বেনিয়মের অভিযোগ তুলেই এই ফোনালাপ। বিজেপির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটকে একজোট হওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, রাজ্যের বুকে তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিএম দশকের পর দশক ধরে একে অপরের কট্টর বিরোধী। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার সিপিএম-এর সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন। তারা মূলত নির্বাচন কমিশনের এসআইআর (SIR) কার্যক্রমের বেনিয়ম নিয়ে আলোচনা করেছেন, এমনটাই জানিয়েছে 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'। এই দুই দলই বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। কিন্তু পুরনো শত্রুতার জেরে এর আগে দুই দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সেভাবে কোনও কথা হয়নি।

সিপিএম-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবিকে ফোন মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাহুল গান্ধীকেও একটি অনুরোধ করেছেন। তিনি এসআইআর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছেন। তিনি আগামী সপ্তাহের শুরুতেই 'ইন্ডিয়া' জোটের নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকার প্রস্তাব দিয়েছেন। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় গত শুক্রবারই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরই অংশ হিসেবে এমএ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বলে খবর।

একজোট হওয়ার বার্তা?

সিপিএম-এর পলিটব্যুরো সদস্য এমএ বেবিকে জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কারচুপি করার চেষ্টা করছে। সবাইকে তার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়তে হবে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, পশ্চিমবঙ্গে দুই দলের মধ্যে যতই শত্রুতা থাকুক না কেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই যৌথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

গাড়ির এই কাগজ না দেখালে পাম্পে পেট্রোল-ডিজেল দেবে না, অক্টোবর থেকে নিয়ম চালু
School Closed: প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী, রাজ্যে আজ সব স্কুলে ছুটি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী