
Air Ambulance Crash: রাঁচি (Ranchi) দিল্লিগামী (Delhi) এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ভেঙে পড়ে সাতজনেরই মৃত্যু হল। সোমবার সন্ধেবেলা সাতটা বেজে ১১ মিনিট নাগাদ রাঁচি বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয় এই বিমান। ২৩ মিনিট পরেই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (Air Traffic Control) সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাডার থেকেও সিগন্যাল পাওয়া যাচ্ছিল না। বিমানে মোট সাতজন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পাইলট, কো-পাইলট, একজন চিকিৎসক, একজন প্যারামেডিক, এক গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং রোগীর সঙ্গে থাকা দু’জন সহায়ক। দুর্ঘটনায় সবারই মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পরেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। পরে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) চাতরা জেলার সিমারিয়া অঞ্চলের একটি দুর্গম বনাঞ্চল থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয়।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি পরিচালনা করছিল বেসরকারি সংস্থা রিবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড। ভেঙে পড়া বিমানটি ছিল একটি বিচক্র্যাফট কিং এয়ার সি ৯০ মডেলের টার্বোপ্রপ এয়ারক্র্যাফট। এক বিবৃতিতে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনের (Directorate General of Civil Aviation) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স সোমবার সন্ধে সাতটা বেজে ১১ মিনিটে রওনা হয়। সন্ধে সাতটা বেজে ৩৪ মিনিটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার আগে পর্যন্ত কলকাতার এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু এরপরেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় এই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স বারাণসী (Varanasi) থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তের জন্য এয়ারক্র্যাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (Aircraft Accident Investigation Bureau) এক দল পাঠানো হয়েছে।
বিমানটি ভেঙে পড়ার ঠিক আগে আবহাওয়ার কারণে রুট বদল করতে চেয়ে বার্তা পাঠিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। রুট বদল করার জন্যও দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।