Sajjan Kumar: দাঙ্গায় সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদের মৃত্যু, জেলেই কাটছিল জীবন

Published : Aug 20, 2026, 02:57 PM IST
Sajjan kumar death sajjan kumar death 1984 riots congress mp dies at 80 bsm

সংক্ষিপ্ত

১৯৮৪ সালের শিখ-বিরোধী দাঙ্গার মামলায় যাবজ্জীবন সাজা খাটছিলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সজ্জন কুমার। বৃহস্পতিবার ৮০ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তাঁকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়।

প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ তথা বর্ষীয়ান নেতা সজ্জন কুমার মারা গিয়েছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ১৯৮৪ সালের শিখ-বিরোধী দাঙ্গার মামলায় তিনি যাবজ্জীবন সাজা খাটছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তাঁকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়।

সজ্জন কুমারের বিরুদ্ধে শিখ দাঙ্গার অভিযোগ

তিনবারের সাংসদ সজ্জন কুমারের বিরুদ্ধে ভারতের অন্যতম দীর্ঘ আইনি লড়াই চলেছিল। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর ১৯৮৪ সালে যে শিখ-বিরোধী দাঙ্গা হয়, সেই সংক্রান্ত একাধিক মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই মামলাগুলোতে বিভিন্ন আদালতে রায়ও বদলেছে বারবার। কখনও তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছেন, আবার কখনও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

দিল্লির রাজ নগর এলাকায় একটি পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা এবং একটি গুরুদ্বার জ্বালিয়ে দেওয়ার মামলায় ২০১৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। এর আগে নিম্ন আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস করেছিল। রায়ের পর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরেই তিনি আত্মসমর্পণ করেন এবং তখন থেকেই জেলে ছিলেন।

সরস্বতী বিহার হত্যা মামলাতেও তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর যশবন্ত সিং এবং তাঁর ছেলে তরুণদীপ সিংকে হত্যার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এই মামলায় বিশেষ আদালতের বিচারক কাবেরী বাওয়েজা ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁকে দ্বিতীয়বার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। যদিও তাঁর বয়স, অসুস্থতা এবং জেলে ভালো আচরণের কথা ভেবে আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয়নি।

জনকপুরী এবং বিকাশপুরী এলাকার হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল। সোহন সিং এবং তাঁর জামাই অবতার সিংকে হত্যায় উস্কানি এবং গুরুচরণ সিংকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ ছিল। এই মামলায় রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট গত ২২ জানুয়ারি তাঁকে বেকসুর খালাস করে। এই রায়ের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে একটি আপিল করা হয়, যার ভিত্তিতে ২৬ মে আদালত নোটিস জারি করে।

জেলে থাকাকালীন সজ্জন কুমার বারবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। প্রায় চার দশক ধরে চলা বিচার প্রক্রিয়ার পর, শিখ-বিরোধী দাঙ্গার ঘটনায় যে কয়েকজন প্রাক্তন জনপ্রতিনিধিকে অপরাধী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, সজ্জন কুমার তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

BRICS Summit: ব্রিকস সম্মেলনের জন্য কতটা প্রস্তুত দিল্লি ? প্রস্তুতি দেখলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর
Content Creators: কনটেন্ট ক্রিয়েটারদের মোটা টাকা দেবে সরকার, থাকছে যেসব শর্ত, জানুন আবেদনের নিয়ম