Sonam Wangchuk: কেমন আছেন সোনম ওয়াংচুক? প্রথম বিবৃতি দিয়ে জানাল সফদরজং হাসপাতাল

Published : Jul 18, 2026, 12:00 PM IST
Sonam Wangchuk

সংক্ষিপ্ত

শনিবার সকালে যন্তর মন্তর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় সোনাম ওয়াংচুককে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে এখানেই অনশনে বসেছিলেন তিনি। সোনামকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সোনামের স্ত্রী।

শনিবার সকালে যন্তর মন্তর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় সোনাম ওয়াংচুককে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে গত ২৮ জুন থেকে এখানেই অনশনে বসেছিলেন তিনি। সোনামকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সোনামের স্ত্রী। পরিবারের অনুমতি ছাড়া আন্দোলনরত সমাজকর্মীর কোনও চিকিৎসা শুরু করা যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন গীতাঞ্জলি জে অংমো।

কেমন আছেন ওয়াংচুক?

"অনশনের কারণে দুর্বল এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন"—শনিবার সকালে দিল্লি পুলিশ আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে স্থানান্তরের পর তাঁর স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রথম তথ্য এটিই। অনশনের ২১তম দিনে ওয়াংচুককে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের প্রথম বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য আজ সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।" হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, "দীর্ঘদিন ধরে অনশন ও জলশূন্যতার কারণে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। যদিও বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, তবুও শরীরের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য তাঁর ক্ষেত্রে ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে।"

পুলিশ জানিয়েছে, স্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতির কারণে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ ও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওয়াংচুককে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো দাবি জানিয়েছিলেন যে, ওয়াংচুককে কোনও চিকিৎসা দেওয়ার আগে চিকিৎসকদের অবশ্যই তাঁর এবং পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। তিনি 'এক্স' (X)-এ পোস্ট করে বলেন, "আমি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে আছি, যেখানে @Wangchuk66-কে ভর্তি করা হয়েছে। আমার, তাঁর পরিবারের এবং গত ২০ দিন ধরে তাঁর স্বাস্থ্যের দেখভাল করা চিকিৎসকদের সম্মতি ছাড়া তাঁকে মুখে বা শিরার মাধ্যমে (ইনট্রাভেনাস) কোনও কিছুই দেওয়া যাবে না।"

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে আংমো বলেন, "গতকালও তিনি ভালো ছিলেন। তাঁকে হাসপাতালে আনার কোনও প্রয়োজন ছিল না। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এটি আমার অধিকার।"

আন্দোলন চলাকালীন তাঁর স্বাস্থ্যের দেখভাল করা চিকিৎসকদের মতে, অনশনের কারণে ওয়াংচুকের শরীরের ওজন আট কেজিরও বেশি কমে গিয়েছিল। দু'দিন আগেই দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল সোনম ওয়াংচুকের জীবন বাঁচাতে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবই করতে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

8th Pay Commission: আড়াই গুণ বাড়বেই! বৈঠকের পরে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নিল সরকার?
CJP Protest: সোনম ওয়াংচুককের পরে এবার অনশনে অভিজিৎ দিপকে,কাল সংসদ চলো অভিযান হবেই