Weather: আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুন মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে এবং তাপমাত্রাও বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতি ধীর হওয়ায় একাধিক রাজ্যে গরম ও আর্দ্রতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।
এবার বর্ষার বৃষ্টিতে ঘাটতির পরিমাণ বাড়বে। পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এবছর স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হবে বলেও জানিয়েছে। এল নিনোর প্রভাবেই বর্ষার বৃষ্টিতে ঘাটতে দেখা দেবে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
210
জুনে বর্ষার পরিবর্তে গরম!
মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী বর্ষার মাস হিসেবে পরিচিত জুন মাসেও থাকবে গরমের প্রভাব। প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ সামুদ্রিক স্রোত এল নিনোর প্রভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় উষ্ণ হতে পারে জুন মাসে। তেমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের.
310
গড় বৃষ্টিপাত কমবে
দেশে বর্ষায় গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৮৭ শতাংশ। কিন্তু এবার তা হবে না। পূর্বাভাস বলছে এবার দেশে গড় বৃষ্টিপাত হবে ৯০ শতাংশ। এপ্রিলে মৌসম ভবন জানিয়েছিল গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৯২ শতাংশ। সেই পূর্বাভাস আরও কমবে।
মৌসম ভবন জানিয়েছে, বর্ষায় ঘাটতি (এলপিএ-র ৯০ শতাংশের নীচে) হওয়ার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ, স্বাভাবিকের কম বর্ষা (এলপিএ-র ৯০-৯৫ শতাংশ) হওয়ার সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ, স্বাভাবিক বর্ষা (এলপিএ-র ৯৬-১০৪ শতাংশ) হওয়ার সম্ভাবনা ১৪ শতাংশ, স্বাভাবিকের উপরে বর্ষা (এলপিএ-র ১০৫-১১০ শতাংশ) হওয়ার সম্ভাবনা ২ শতাংশ। আর অতিরিক্ত বর্ষা (এলপিএ-র ১১০ শতাংশের বেশি) হওয়ার সম্ভাবনা শূন্য।
510
LPA বা লং পিরিয়ড অ্যাভারেজ
ভারতে ১৯৭১-২০২০ সাল পর্যন্ত জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিপাতের পরিসংখ্যান হল ৮৭ সেন্টিমিটার। কোনও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বা দেশে নির্দিষ্ট সময়ে যেমন বর্ষাকালে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয় তার গাণিতিক গড়কে বলে এলপিএ।
610
নজরে এল নিনো
মৌসম ভবন জানিয়েছে, এল নিনোর পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে জুন মাসের শুরুর দিকে এল নিনোর প্রভাব কিছুটা হলেও দুর্বল হবে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। যদি তা না হয় তাহলে চাষের জন্য উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হবে।
710
বর্ষা স্বাভাবিক
মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী চলতে মরশুমে সবথেকে বেশি বৃষ্টি হবে উত্তর-পূর্ব ভারতে। সেখানে বর্ষা স্বাভাবিক থাকবে বলেও পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হবে মধ্য ও দক্ষিণ ভারতে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে বর্ষা দুর্বল হবে।
810
খরার সম্ভাবনা
বর্ষা কম হওয়ার জন্য দেশের কোথাও কোথাও পানীয় জলের সংকট দিতে পারে। চাষের জন্য জল পাওয়াও দুষ্কর হতে পারে। ক্ষরার সম্ভাবনা রয়েছে। খরা মোকাবিলায় আগে থেকেই পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে মৌসম ভবন।
910
এল নিনোর প্রভাব
কিছু দিন আগে পর্যন্ত মনে করা হয়েছিল এল নিনোর প্রভাব তেমনভাবে পড়বে না। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে এল নিনোর শক্তিশালী প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতে আবহাওয়ার উপর।
1010
বর্ষা পিছিয়ে
মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২৬ মে কেরলে বর্ষা প্রবেশ করবে। কিন্তু এখনও কেরলে শুষ্ক আবহাওয়া। ২৮-৪ জুন পর্যন্ত কেরলে শুকনো আবহাওয়া থাকবে। ৪-১১ পরিস্থিতির উন্নিতি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস। অর্থাৎ পিছিয়ে গেছে বর্ষা।