
Karachi Terrorist Attack: জঙ্গি হামলায় কেঁপে উঠল করাচি। শনিবার রাতে এই জঙ্গি হামলায় পাকিস্তান রেঞ্জার্সের (Pakistan Rangers) অন্তত চারজন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এই হামলা হয়। গাড়ি নিয়ে জঙ্গিরা করাচিতে পাকিস্তান রেঞ্জার্সের দফতরে হামলা চালায়। শুরু হয় গুলির লড়াই। পাকিস্তান রেঞ্জার্স আধাসামরিক বাহিনী। এই বাহিনীর দফতরে জঙ্গি হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়। জঙ্গিদের গুলির জবাব দিতে শুরু করে বাহিনী। পাকিস্তান রেঞ্জার্সের দফতরে ঢোকা ও বেরিয়ে আসার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আশেপাশের রাস্তা দিয়ে সব ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পথচারীদের যাতায়াতও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই জঙ্গি হামলায় পাকিস্তান রেঞ্জার্সের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও, হামলাকারীদের খতম করা সম্ভব হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। কোনও জঙ্গি বা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এখনও এই হামলার দায়স্বীকার করেনি।
করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর (Gulistan-e-Jauhar) পাকিস্তান রেঞ্জার্সের দফতর। এই অঞ্চল জনবহুল। সেখানে জঙ্গি হামলা হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এক নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছেন, চার থেকে ছয় জন জঙ্গি এই হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। তারা পাকিস্তান রেঞ্জার্সের দফতরে ঢুকে পড়ে গুলি চালাতে শুরু করে। এই নিরাপত্তারক্ষীর কথা অনুযায়ী, 'এখনও পর্যন্ত আমরা জানতে পেরেছি, এই হামলায় রেঞ্জার্সের চারজন জওয়ান নিহত হয়েছেন। পাকিস্তান রেঞ্জার্সের এই দফতরে অনেক গাড়ি থাকে। তার মধ্যে কয়েকটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।' এই নিরাপত্তারক্ষী আরও জানিয়েছেন, হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরেই স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিটের কম্যান্ডো এবং অ্যান্টি-টেররিস্ট ফোর্সের সদস্যদের পাঠানো হয়। জঙ্গিদের চিহ্নিত করে জীবিত গ্রেফতার করা বা খতম করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সিন্ধের ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (Sindh Inspector General of Police) জাভেদ আলম ওধো (Javed Alam Odho) জানিয়েছেন, জঙ্গিরা এক গাড়ি নিয়ে এসে প্রধান ফটকে ধাক্কা মারে। এরপর বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। তবে কী কারণে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়, তা স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।