US-Iran Tension: সমুদ্রে যুদ্ধের প্রস্তুতি? হরমুজ প্রণালীতে জোট গড়ছে আমেরিকা

Published : Mar 16, 2026, 10:28 AM IST

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এবার সংঘাতের আঁচ সমুদ্রেও পৌঁছতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকা খুব শীঘ্রই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ সুরক্ষার জন্য একটি আন্তর্জাতিক নৌ-জোট তৈরির ঘোষণা করতে পারে। কেন এই পদক্ষেপ এত গুরুত্বপূর্ণ।

PREV
16
আমেরিকা একটি নৌ-জোট (Naval Coalition) গড়ার পরিকল্পনা করছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দেওয়া। এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণের পথ। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই জোটের ঘোষণা হতে পারে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ৭২ ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমনটা হলে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সামুদ্রিক সংঘাত আরও বাড়তে পারে।
26
বিশ্বের তেল বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত জরুরি একটি জলপথ। অনুমান করা হয়, বিশ্বের প্রায় ২০% অপরিশোধিত তেল এই সমুদ্রপথ দিয়েই সরবরাহ হয়। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে এখানে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর ফলে অনেক দেশেই জ্বালানির দাম বাড়ছে। এই পথ যদি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে, তবে ভারত-সহ গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়বে।
36
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিক দেশের কাছে আবেদন করেছেন, তারা যেন এই অঞ্চলে নিজেদের যুদ্ধজাহাজ (Warships) পাঠায়। এর ফলে তেল ও কন্টেইনারবাহী জাহাজগুলো নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে। এই মিশনের জন্য চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উঠে এসেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও দেশই প্রকাশ্যে সমর্থনের কথা জানায়নি।
46
মার্কিন জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট (Chris Wright) জানিয়েছেন, এই বিষয়ে অনেক দেশের সঙ্গে কথা চলছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পেলে শীঘ্রই একটি বহুজাতিক নৌ-মিশন তৈরি করা সম্ভব হবে। এই মিশন সমুদ্রপথটি পুনরায় খুলতে সাহায্য করবে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার (Keir Starmer) এই বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। জানা গিয়েছে, তিনি বিশ্বব্যাপী জাহাজ চলাচলের সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির (Mark Carney) সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। চিন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, তা দেখা সব দেশের দায়িত্ব। দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। তবে, এই দুই দেশ এখনও সরাসরি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর কথা ঘোষণা করেনি।
56
রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান অনেক বাণিজ্যিক জাহাজকে এই সমুদ্রপথ দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য সতর্ক করেছে। গত সপ্তাহে ইরাকের সামুদ্রিক এলাকায় দুটি তেল ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরক বোঝাই নৌকা দিয়ে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুও হয়েছিল। এই কারণেই এখন অনেক শিপিং কোম্পানি এই পথে জাহাজ পাঠাতে ভয় পাচ্ছে।
66
ভারত তার প্রয়োজনীয় তেলের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে। যদি হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা বাড়ে, তবে এর একাধিক প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে, এলপিজি ও গ্যাসের দাম চড়তে পারে এবং জাহাজে পণ্য পরিবহণের খরচও বাড়তে পারে।
Read more Photos on
click me!

Recommended Stories