Bangladesh Awami League News: ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই তাঁর দল আওয়ামি লিগের অনেক নেতা-কর্মীই কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে এসে থাকছেন। তাঁদের মধ্যে অনেক দাগী নেতাও আছেন। তাঁরা কীভাবে এদেশে এসে থাকার অনুমতি পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

DID YOU
KNOW
?
কলকাতায় আওয়ামি লিগ নেতারা
শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারানোর পর কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে আছেন আওয়ামি লিগের নেতারা।

Bangladesh Politics: 'যশোরের ত্রাস' হিসেবে পরিচিত আওয়ামি লিগের (Bangladesh Awami League) প্রাক্তন এমপি শাহিন চাকলাদার (Shahin Chakladar) এখনও বহাল তবিয়তে কলকাতায় আছেন। তাঁর নানা অপরাধমূলক কাজের সঙ্গীরাও কলকাতায় আছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এক বিলাসবহুল হোটেলে আওয়ামি লিগের কয়েকজন প্রাক্তন নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন শাহিন। তাঁর কুখ্যাত সঙ্গীদেরও সেই বৈঠকে দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি দেখে আওয়ামি লিগের সাধারণ কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) বিরুদ্ধে গণ আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই আওয়ামি লিগের কর্মীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অনেকেই এখনও নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারেননি। অথচ সেই দলেরই প্রভাবশালী নেতারা পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে এসে নিরাপদে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁরা দলীয় কর্মীদের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেদের স্বার্থের কথাই ভাবছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

খুনে অভিযুক্ত শাহিন

২০২৪ সালের ১৩ মে কলকাতার নিউ টাউনে বিলাসবহুল আবাসনের ফ্ল্যাটে খুন হন বাংলাদেশের ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি মহম্মদ আনোয়ারুল আজিম আনার (Md. Anwarul Azim Anar)। এই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত শাহিন। তা সত্ত্বেও তিনি কলকাতায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, বিলাসবহুল জীবন কাটাচ্ছেন। এই ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শাহিনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে তোলাবাজি, হিন্দুদের সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে। এহেন ব্যক্তি কলকাতায় থাকায় তাঁকে গ্রেফতার করার দাবি উঠছে।

সন্ত্রাসবাদে মদত দেন শাহিন

যশোর পৌরসভার ঘোষপাড়ায় সাধন কুমার নামে এক ব্যক্তির প্রায় ১৫ কাঠা জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে শাহিনের বিরুদ্ধে। এছাড়া যশোর পুলিশ লাইনের বিপরীতে নগেন ঘোষ নামে এক ব্যক্তির প্রায় ৫০ বিঘা জমি জবরদখলের অভিযোগও রয়েছে। সেই জমিতে একটি মাদ্রাসা তৈরি করিয়েছেন প্রাক্তন এমপি। সেই মাদ্রাসায় রাতে জঙ্গি ও জেহাদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাংলাদেশে ২০০৮ সালের এক মামলায় শাহিনের চার বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। কিন্তু সেসব আইনি বিষয় এড়িয়ে এখন তিনি কলকাতায় আছেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।