
এয়ারটেল, জিও এবং ভোডাফোনের আর্জি যদি সরকার আমল করে তাহলে ৪জি ডেটার দাম বাড়বে প্রায় দশগুণ। ফোনের বিল বাড়বে হু হু করে। মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন খরচ বেড়ে যাবে বেশ অনেকটাই।
ভারতে মোবাইল গ্রাহকরা ৪জি ডেটা প্রায় এখন এ জিবির দাম ৩.৫ টাকা এই হিসেবে। যদি ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেওয়া হয় যেমনটা চাইছে টেলিকম সংস্থাগুলি তাহলে এখনকার দামের চেয়ে প্রায় ৫-১০গুণ দাম বেড়ে যাবে। ভোদাফোন লড়াই করছে টিকে থাকার আর তাই ভোডাফোনের প্রস্তাব হল ১ জিবি ডেটার দাম স্থির করা হোক ৩৫ টাকা। ভারতী এয়ারটেল চাইছে ন্যুনতম দাম হোক ৩০টাকা । রিলায়েন্স জিও -এর মত হল ১ জিবি ডেটার দাম নির্ধারণ করা হোক ২০ টাকা।
নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত টেলিকম সংস্থার এই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করছেন। তিনি মনে করেন ডেটা ও কল রেট নির্দিষ্ট করে দেওয়া উচিত। এখনও পর্যন্ত যা নিয়ম তাতে টেলিকম সংস্থারা নিজেরাই নির্ধারিত করে দাম। এই সংস্থাদের এমন আর্জির মূল কারণ হল তাদের নিজেদের মধ্যে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তারা চাইছে ট্রাই হস্তক্ষেপ করে নির্দিষ্ট করে দিক দাম। কিন্তু ঋণে জর্জরিত টেলিকম সংস্থার বেহাল দশা ও টাকার মূল্যের এই পতন দেখে কান্ত মনে করছেন ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেওয়া ছাড়া আর কোনও গতি নেই। যদিও নীতি আয়োগ কিন্তু ন্যূনতম দাম বেঁধে দেওয়ার এই নীতির বিপক্ষে ছিল অতীতে।
দশগুণ দাম বাড়লে পকেটে কীভাবে টান পড়বে গ্রাহকদের? এই মুহূর্তে সস্তার ডেটা প্ল্যানে এক জিবির দাম ৩.৫ টাকা, সামগ্রিকভাবে এর জন্য আপনাকে ৫৯৯ টাকা দিতে হয়, ৮৪ দিন পর পর ডেটা প্যাক রিচার্জ করতে হয়। প্রতিদিন আপনি ৪জি স্পিডের এই প্ল্যানে ২জিবি ডেটা পান। যদি দাম বেঁধে দেওয়া হয় তাহলে এই একই প্ল্যানের জন্য আপনাকে খরচ করতে হবে ৩,৩৬০-৫৮৮০ টাকা।
ট্রাই ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা শুরু করেছে সংস্থাগুলির সঙ্গে। তবে কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (সিসিআই) এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে। সিসিওয়াই মনে করছে এই পদক্ষেপ বাজারে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেবে। টেলিকমের মতো এমন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে দাম বেঁধে দিলে তার ফল কখনওই ভালো হতে পারে না।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News