
হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। সারা শহর আবার সেজে উঠবে আলোয়। করোনাকালে মহাসঙ্কট কাটিয়ে যেন ফের ছন্দে ফিরেছে আট থেকে অষ্টাদশী। পুজোর আনন্দে খুশির রেশ বাঙালির মনে। ইতিমধ্যেই দেবী দূর্গার আগমনে চারিদিকে যেন সাজো সাজো রব। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বনের মধ্যে শ্রেষ্ঠ উৎসব হল দুর্গাপুজো। এই বছর দুর্গাপুজো যেন বাঙালির কাছে একটু বেশি বাড়তি পাওনা। কারণ বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর হেরিটেজ তকমা পেয়েছে। তা যেন বড় গর্বের ও আনন্দের বটে। পুজো নিয়ে বরাবরই বাঙালির একটা টানটান উত্তেজনা রয়েছে। তার উপর পুজোর আগে ওজন ঝরানোর ঝক্কি যেন লেগেই থাকে সকলের মধ্যে। কী করে ওঝন কমানো যায় তা নিয়েই দিন রাত চর্চা, আর এই লাস্ট টাইমে ওজন ঝরিয়ে কীভাবে প্যান্ডেলের মধ্যমণি হতে পারবেন তা জানলে চমকে যাবেন।
জল শরীরের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এটা আমরা সকলেই জানি। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খেলে শরীরের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়। গরমে শরীরকে সুস্থ রাখতে, ডিহাইড্রেশন থেকে দূরে রাখতে জল খাওয়া খুবই জরুরি। যারা দীর্ঘদিন ধরে রোগা হতে চাইছেন তাদের জন্যই ভীষণ উপকারি জল। কিন্তু অনেকেই ভাবছেন জল পান করে রোগা হওয়া যায় নাকি। অনেকে আবার এটি বিশ্বাসও করতে পারবেন না। তবে জাপানীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই দাওয়াইটি ব্যবহার করে আসছে। এটির নাম ওয়াটার থেরাপি। এবং এটি যদি নিয়ম মেনে করা যায় তাহলে হাতেনাতে ফল পাওয়া যায় । পুজোর আগে শুধুমাত্র জল পান করেই ওজন কমান হুড়মুড়িয়ে।
ওয়াটার থেরাপির মূল লক্ষ হল পাকস্থলীকে সুস্থ রাখা এবং শরীর মেদ মুক্ত রাখা। অন্যদিকে হজম এর সমস্যা দূর করে অন্যান্য অঙ্গ প্রতঙ্গ সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। আর এই সবকিছুই সম্ভব ওয়াটার থেরাপির দ্বারা। তবে ওয়াটার থেরাপির বেশ কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। জেনে নিন সেগুলি। প্রথমত, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জল খেতে হবে অন্তত চার থেকে পাঁচ গ্লাস জল । এটি দেহে জমে থাকা টক্সিনগুলি দূর করতে সাহায্য করবে। দাঁত ব্রাশ করার পরেও শুধু জল খেয়ে থাকতে হবে অন্তত ৪০ মিনিট। তারপর কিছু খাবার খেতে হবে । প্রতিদিন খাবার সময়টা নির্দিষ্ট করে নিতে হবে । আর খাওয়ার পরে কখনওই দুই ঘন্টা জল খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে দাঁড়িয়ে কখনওই জলপান করবেন না । বার্ধক্যজনিক সমস্যার কারণে হয়তো প্রথমেই এত জল খেতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে আস্তে আস্তে জলের পরিমাণ বাড়াবেন। গবেষকদের মতে, যেকোন রকম ডায়েট এর থেকে ওজন কমানোর জন্য ওয়াটার থেরাপি অনেকবেশি উপকারী । এতে খাদ্য পরিমাণ খুব একটা হেরফের করতে হয় না এবং হজমের সমস্যা দূর হয় । কয়েকদিন করলেই হাতেনাতে ফল পাওয়া যায়। ওয়াটার থেরাপিতে বিপাকের হারও বেড়ে যায়। যার ফলে পরিপাকতন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করে। এবং শরীরের থেকেও বাড়তি মেদ ঝরে যায়। দীর্ঘদিন ধরেই জাপানিরা এই ওয়াটার থেরাপি-র উপর আস্থা রেখেছেন। নিয়মিত ওয়াটার থেরাপি করলে সুস্থ থাকবে পাকস্থলী। কমবে হজমের সমস্যাও। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ৪-৫ গ্লাস জল খান।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News