কাঁচা আমলকি না খেয়ে শীতকালে আমলকির আচার বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এতে পুষ্টিগুণ মেলে একই। আর দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করেও রাখা যায়। কারণ, আমলকির আচার ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবারে ভরপুর। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমশক্তি উন্নত করে। ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে কার্যকর। যা সামগ্রিকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি সর্দি-কাশি প্রতিরোধেও উপকারী এবং মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।