Pandemic: করোনা ভাইরাসের রেশ কাটতে না কাটতেই দুটি নতুন ভাইরাসের উপদ্রোব বাড়ছে। যা থেকে নতুন করে মহামারি ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। সতর্ক করা হয়েছে।  

করোনাভাইরাসের ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি বিশ্ব। তারই মধ্যে আরও দুই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কথা শোনাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO। ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের তরফেও আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামী প্রজন্মের কাছে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাস (influenza D virus) ও ক্যানাইন করোনাভাইরাস (canine coronavirus)। যা আগামী দিনে আরও বেশি মানুষের প্রাণ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের।

মহামারির আশঙ্কা

আগামী দিনে কোন কোন রোগ অতিমারির আকার নিতে পারে তারও একটি তালিকা প্রস্তুত করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই তালিকায় ছিল ইবোলা, জিকা ভাইরাস। ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাস (influenza D virus) ও ক্যানাইন করোনাভাইরাস (canine coronavirus)-এর মূল উৎস হল পশুর শরীর। আগামী দিনে এই দুই ভাইরাস পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্যাথোজেনের আগ্রাসন যে ভা৩বে বেড়েছে তাতে এটা স্পষ্ট যে কোনও মহামারি যে কোনও সময়ই ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরিসংখ্যানই বলছে গত চার দশকে ১৮টি নতুন প্যাথোজেন চিহ্নিত হয়েছে। তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখাও জরুরি।

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাসঃ

ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি ভাইরাসকে চিহ্নিত করা হয়েছিল ২০১১ সালে। তবে মানুষের সময় সেই সময় সেটি বিশেষ রোগ বিস্তার করতে পারেনি। এর প্রধান উৎস হল গবাদি পশু- শূকর, ভেড়া। এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা এ, বি বা সি ভাইরাসের মতো নয়। এর জিনের গঠন ভিন্ন। দেখা গিয়েছে, যে কোনও প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে এই ভাইরাস। এটি সরাসরি স্পর্শ বা বাতাসের জলীয় কণার মাধ্যমে ছড়াতে পারে। পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম।

ক্যানাইন করোনাভাইরাসঃ

সার্স-কভ-২ ভাইরাসের মতোই সংক্রামক ক্যানাইন করোনাভাইরাস। কুকুর ও বিড়ালের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তা ছাড়া বন্য পশুর শরীরেও এই ভাইরাসের স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে। গবেষকেরা জানাচ্ছে, কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাস ছিল বিটা-করোনাভাইরাস, আর ক্যানাইন হল আলফা-করোনাভাইরাস। ক্যানাইন করোনা সাধারণত প্রাণীদের মধ্যে ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা তৈরি করে, কিন্তু এর নতুন রূপ মানুষের শরীরে ঢুকে সংক্রমণ ঘটানোর ক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছে।

তবে এখনই আতঙ্কের কারণ নেই বলেও জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। তবে দুটি ভাইরাসের সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করা যায় তাই খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন গবেষকরা।