স্টিম ভেপার নিলে শরীরের কোন রোগগুলির উপশম হতে পারে? জেনে নিন বিস্তারিত

Published : Jan 03, 2026, 01:38 AM IST
Respiratory health

সংক্ষিপ্ত

Steam Vapor: ওষুধ খেলে রোগ নিরাময় হবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু ঘরোয়া টোটকাও বেশ কাজের হতে পারে। যেমন গরম জলের ভেপার নেওয়া। ঠিক কোন কোন অসুখ এতে সারে দেখা যাক।

Health News: হালকা সর্দি বা খুশখুশে কাশিতে বেশ কাজ দেয় গরম ভেপার। নাক বন্ধ ও সাইনাসের সমস্যাও উপশম হতে পারে। গরম জলের ভাপ (স্টিম ইনহেলেশন) মূলত শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন সর্দি, কাশি, সাইনাস, ব্রঙ্কাইটিস, অ্যালার্জিজনিত নাক বন্ধ, এবং গলা ব্যথার উপশম করে, কারণ উষ্ণ বাষ্প নাকের পথ ও সাইনাসে জমা শ্লেষ্মাকে পাতলা করে বের করে দেয়। প্রদাহ কমায়, এবং শ্বাসনালীকে আর্দ্রতা জোগায়, ফলে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়; তবে এটি কোনও রোগের মূল চিকিৎসা নয়, বরং উপসর্গ কমানোর একটি ঘরোয়া পদ্ধতি।

গরম জলের ভাপ নেওয়ার উপকারিতা-

  • নাক বন্ধ ভাব দূর করে: ভাপের আর্দ্রতা নাকের ভেতরের শুকনো শ্লেষ্মাকে নরম করে এবং জমাট বাঁধা কফ বা শ্লেষ্মাকে পাতলা করে বের করে দিতে সাহায্য করে, ফলে নাক পরিষ্কার হয়।
  • সাইনাস ও মাথা ব্যথা কমায়: সাইনাসে জমে থাকা শ্লেষ্মা বা পুঁজ বের করে দিতে সাহায্য করে, যা সাইনাস জনিত চাপ ও মাথা ব্যথার উপশম করে।
  • গলা ব্যথা ও খুসখুস কমায়: শ্বাসনালীকে আর্দ্রতা দিয়ে গলা ব্যথা, খুসখুসে ভাব এবং শুকনো কাশির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
  • কাশি ও ব্রঙ্কাইটিসে আরাম: জমাট বাঁধা কফকে নরম করে সহজে বের করে দেয়, যা শুকনো বা কফের কাশি কমাতে কার্যকর।
  • অ্যালার্জির উপশম: ধুলো, ধোঁয়া বা অ্যালার্জির কারণে হওয়া নাক বন্ধভাব ও শ্বাসকষ্ট কমাতে সাহায্য করে।

কীভাবে ভাপ নেবেন (সঠিক পদ্ধতি)-

  • পাত্র ও জল: একটি বড় পাত্রে গরম জল নিন (ফুটন্ত নয়, তবে যথেষ্ট গরম)।
  • ঝুঁকে থাকা ও ঢেকে নেওয়া: পাত্রের উপর ঝুঁকে একটি বড় তোয়ালে দিয়ে মাথা ও পাত্রের চারপাশ এমনভাবে ঢাকুন যাতে বাষ্প বাইরে না বেরোয়।
  • গভীর শ্বাস: নাক ও মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন।
  • সময়কাল: ৫-১০ মিনিট ধরে ভাপ নিন।
  • অতিরিক্ত যোগ: চাইলে জলে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল, পুদিনা বা লবঙ্গ গুঁড়ো মেশাতে পারেন, যা ভাপের কার্যকারিতা বাড়ায়।
  • সাবধানতা: বেশি গরম জল বা বেশি সময় ধরে ভাপ নেবেন না, তাতে ত্বক পুড়ে যেতে পারে।

কখন ভাপ নেওয়া উচিত?

  • সর্দি, ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার সময়।
  • অ্যালার্জিজনিত নাক বন্ধ থাকলে।
  • সাইনাস বা ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যায়।
  • গলা ব্যথা বা খুসখুসে কাশি হলে।

গুরুত্বপূর্ণ-

ভাপ নেওয়া সাময়িক উপশম দেয়, কিন্তু এটি কোনও রোগের সম্পূর্ণ নিরাময় নয়। যদি সমস্যা গুরুতর হয় বা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

মাটন বিরিয়ানি খেয়েও বাড়বে না কোলেস্টেরল, যদি মেনে চলেন এই কৌশল গুলি
স্পন্ডেলাইটিস এর সমস্যা থেকে বেরোতে ওষুধ নয়, ভরসা একমাত্র থেরাপিউটিক যোগা