স্বামীর চাহিদা মেটাতে গিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মহিলারা, সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর দাবি

Published : Jan 27, 2020, 05:36 PM ISTUpdated : Jan 29, 2020, 12:27 PM IST
স্বামীর চাহিদা মেটাতে গিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মহিলারা, সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর দাবি

সংক্ষিপ্ত

কিছুদিন আগে ৭০০ জন মায়েদের নিয়ে একটি সমীক্ষা হয়েছিল সেই সমীক্ষায় প্রকাশিত হয়েছিল একটি অভূতপূর্ব সত্য়ি ছেলেমেয়েদের মানুষ করতে মহিলাদের ঝক্কি পোয়াতে হয় ঠিকই তবে তার চেয়ে অনেক বেশি ঝক্কি পোয়াতে হয় স্বামীকে সামলাতে

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়া বচ্চন একবার বলছিলেন, তাঁকে তিন বাচ্চার দেখভাল করতে হয়। পাশে বসে থাকা বিগ-বি এই তিন বাচ্চার রহস্য়টা উন্মোচন করে বলেছিলেন, "আমাদের দুজন আর সেইসঙ্গে আমি"।

আজ থেকে প্রায় চল্লিশবছর আগের সেই সাক্ষাৎকারটির কথা মনে পড়ল একটা সমীক্ষার খবর পড়ে। যেখানে বলা হচ্ছে, সন্তান মানুষ করতে যে পরিমাণ ঝক্কি পোয়াতে হয় একজন মহিলাকে, তার চেয়ে অনেক বেশি ঝক্কি পোয়াতে হয়  বরের জন্য়। যার জন্য় অনেক বেশি স্ট্রেসে ভুগতে হয় তাকে।

মায়েদের ওপর একটি সমীক্ষা চালানো হয় কিছুদিন আগে। ৭হাজার মায়ের ওপর চলে সমীক্ষাটি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রতি ১০ জনের মধ্য়ে সাড়ে ৮ জনের স্ট্রেস লেভেল উদ্বেগজনকভাবে বেশি। আর ৪৬ শতাংশ মহিলা স্পষ্টই বলেছেন, তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে স্বামীরা যা স্ট্রেস দেয়, তাঁদের বাচ্চাদের দেখভাল করতেও অত চাপ পড়ে না। অনেক মায়েরাই অভিযোগ করেছেন যে, তাঁদের বেটার হাফেরা তাঁদের কাছে সঙ্গী নয়, বরং 'বড় বাচ্চা'।

আসলে মনোবিদরা বলছেন, ছেলে-মেয়ে বড় করা একটা কঠিন বিষয় ঠিকই। কিন্তু ঘর সামাল দেওয়া তার চেয়েও কঠিন। আসলে সমস্য়ার মূলে রয়েছে বিয়ে। বিয়ে নিজেই একটা স্ট্রেসফুল ব্য়াপার। মহিলারা মনে করেন, তাঁরা সারাক্ষণ সংসারের কাজ করে চলেছেন। অন্য়দিকে পুরুষরা মনে করেন, সংসারের অনেক কাজ তো তাঁদেরও করতে হচ্ছে। কই তারবেলায় তো কেউ কিছু বলেন না। সবটাই যেন থ্য়াঙ্কলেস জব।

আসলে এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই, আজকের দিনে ছেলেমেয়ে মানুষ করা চারটিখানি কথা নয়। আগের মতো যৌথ পরিবার আর নেই। কাকিমা, জেঠীমারা আর নেই।  কাকা, জ্য়াঠারা আর নেই। তুতো-ভাই-বোনেরাও নেই। এমতাবস্থায় ছোটদের এখন অনেক বেশি সময় দিতে হয়। তার ওপর রয়েছে দুনিয়ার ঝক্কি। কথায়-কথায় পেরেন্ট-টিচার্স মিটিংয়ে যাও, পড়াশোনায় মন না-বসলে মনোবিদের কাছে যাও। কিন্তু মনে করা হচ্ছে, এত কিছু সত্ত্বেও মহিলারা কিন্তু  দিব্য়ি চালিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু এর ওপর যখন স্বামীর চিন্তা এসে ভিড় করে, তখন তাঁদের স্ট্রেস লেবেল আরও বেড়ে যায়। বেটার হাফ অফিসে যাবে, তাই টিফিন রেডি করে দেওয়া। ওর আবার বর্ডার লাইন সুগার দেখা দিয়েছে, তাই খাবারে এটা বাদ সেটা বাদ। ঠিকমতো ওষুধ খাচ্ছে কিনা সেটাই দেখতে হয়। আর তাতেই বাড়ে স্ট্রেস। যা বাচ্চা মানুষ করার চেয়ে অনেক বেশি বই কম নয়।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

click me!

Recommended Stories

এই পাঁচটি অভ্যাস পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে
চলছে প্রেমের মরশুম, কিন্তু সঙ্গী অনেক দূরে? এই ভাবে সারপ্রাইজ দিন আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে