ময়দা এবং অন্যান্য রিফাইন্ড শস্য রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে ইনসুলিন বাড়ে এবং ত্বক অতিরিক্ত তেল তৈরি করে, যা থেকে ব্রণ হতে পারে। এর বদলে ঢেঁকিছাঁটা চাল বা ওটসের মতো গোটা শস্য খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।
26
পশুর দুধের বদলে প্ল্যান্ট-বেসড মিল্ক
গরু-মোষের দুধে IGF-1 নামের একটি উপাদান থাকে, যা কারও কারও ক্ষেত্রে ব্রণ এবং ত্বকের সমস্যা তৈরি করতে পারে। যদি দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার থেকে আপনার ব্রণ হয়, তাহলে চিনি ছাড়া আমন্ড মিল্ক বা সোয়া মিল্ক খাওয়া শুরু করতে পারেন।
36
ভাজাভুজির বদলে খান রোস্টেড ছোলা
তেলে ভাজা এবং প্রসেসড স্ন্যাকস শরীরে ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহ বাড়ায়, যা ত্বকের সমস্যা তৈরি করে। এর বদলে, রোস্ট করা ছোলা খেলে শরীর প্রোটিন, ফাইবার ও জিঙ্ক পায়। ত্বকের ক্ষতি সারাতে জিঙ্ক খুব জরুরি।
46
রান্নার তেল ব্যবহারে সতর্ক হন
যেসব রিফাইন্ড তেলে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে, সেগুলি ত্বকের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। এর বদলে, পরিমিত পরিমাণে ভালো মানের স্বাস্থ্যকর রান্নার তেল ব্যবহার করা ত্বকের জন্য উপকারী।
56
চিনি দেওয়া পানীয় নয়, বেছে নিন স্পিয়ারমিন্ট টি
মিষ্টি পানীয় শুধু শরীরে চিনির পরিমাণই বাড়ায় না, পেটের স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করে। এর বদলে স্পিয়ারমিন্ট চা পান করলে অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে, যা ব্রণের একটি বড় কারণ।
66
আইসক্রিমের বদলে চিয়া সিডস
আইসক্রিমে থাকা অতিরিক্ত চিনি আর দুধ—এই দুটো জিনিস একসঙ্গে ব্রণর সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। এর বদলে খাবারে চিয়া সিড যোগ করলে শরীর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার পাবে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।