ফুসফুসকে সুরক্ষিত রাখতে খাওয়াদাওয়ার বড় ভূমিকা আছে। এমন অনেক কিছুই আমাদের ফুসফুসের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তবে জীবনযাত্রায় কিছু বদল আনলেই ফুসফুসের স্বাস্থ্য ফেরানো সম্ভব।
ফুসফুসকে সুরক্ষিত রাখতে ডায়েটের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নানা কারণে ফুসফুসের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। তবে কিছু বদল আনলেই ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভাল করা সম্ভব। এমন কিছু সুপারফুড আছে যা ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দেখে নিন ফুসফুসের জন্য সবচেয়ে উপকারী সুপারফুড কোনগুলি।
29
টমেটো খেলে অ্যাজমার উপসর্গ কমে।
টমেটোতে লাইকোপিন প্রচুর পরিমাণে থাকে। লাইকোপিন একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। রোজকার ডায়েটে টমেটো রাখলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং অ্যাজমার উপসর্গ কমে।
39
ব্লুবেরি ফুসফুসের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
ব্লুবেরিতে প্রচুর পুষ্টিগুণ, বিশেষ করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন ফুসফুসের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
49
গোলমরিচে থাকা পুষ্টি ফুসফুসের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
গোলমরিচ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণে ভরপুর। এই সব উপাদান ফুসফুসের স্বাস্থ্য উন্নত করে। বিশেষ করে ধূমপানের কারণে ফুসফুসের যে ক্ষতি হয়, তা সারাতে ভিটামিন সি সাহায্য করে।
59
হলুদ ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
হলুদে 'কারকিউমিন' নামে একটি উপাদান থাকে। এই কারকিউমিনের কারণেই হলুদের প্রদাহ-রোধী (anti-inflammatory) ক্ষমতা রয়েছে। হলুদ ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। বেশি পরিমাণে কারকিউমিন খান এমন ধূমপায়ীদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা অন্যদের চেয়ে ভাল হয়।
69
গ্রিন টি পান করলে পালমোনারি ফাইব্রোসিস হওয়ার ঝুঁকি কমে।
গ্রিন টি-তে দারুণ অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে। রোজ এক কাপ গ্রিন টি পান করলে পালমোনারি ফাইব্রোসিস (যেখানে ফুসফুসের টিস্যুতে ক্ষত তৈরি হয়) হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে।
79
অলিভ অয়েল খেলে অ্যাজমার ঝুঁকি কমে।
অলিভ অয়েল শ্বাসতন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। নিয়মিত অলিভ অয়েল খেলে অ্যাজমা বা হাঁপানির ঝুঁকি কমে যায়।
89
দই ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করে।
দই হল আরেকটি সুপারফুড যা ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ফসফরাস এবং সেলেনিয়ামের মতো পুষ্টিতে ভরপুর। এই সুপারফুডটি ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং সিওপিডি (COPD)-র ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে।
99
রসুন ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করে।
রসুনে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টি-ভাইরাল-এর মতো একাধিক গুণ রয়েছে। এই উপাদানগুলি ফুসফুস-সহ গোটা শরীরের সার্বিক স্বাস্থ্য উন্নত করে।