Sea Beach: দীঘা-মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে একটু নিরিবিলিতে সমুদ্র উপভোগ করতে চান? কলকাতা থেকে মাত্র ৪-৫ ঘণ্টা দূরেই আছে ‘মিনি গোয়া’ সোনাপুর সমুদ্রসৈকত। লাল কাঁকড়া, ঝাউবন আর নীল জল - প্রকৃত সমুদ্রপ্রেমীদের জন্য আদর্শ ডেস্টিনেশন।

New Sea Beach: বারবার দীঘা, মন্দারমণি, তাজপুর ঘুরে বোর হয়ে গেছেন? ভিড় ঠেলে সমুদ্র দেখা আর ভালো লাগছে না? তাহলে এবার প্ল্যান করুন একদম অফবিট একটি জায়গার - সোনাপুর সমুদ্র সৈকত। ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় অবস্থিত এই সৈকতকে আদর করে লোকে ‘মিনি গোয়া’ বলে। কলকাতা থেকে দূরত্ব মাত্র ৪০০ কিলোমিটারের মতো। নির্জনতা, পরিষ্কার নীল জল আর সোনালী বালির জন্য এই সৈকত ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। যারা সত্যিকারের সমুদ্রের শব্দ শুনতে চান, তাদের জন্য এটা স্বর্গ।

কেন সোনাপুরকে মিনি গোয়া বলা হয়?

১. এখানকার সমুদ্রের জল দীঘার মতো ঘোলা নয়, একদম নীল ও স্বচ্ছ। ঢেউও বেশ শান্ত। ২. বিচের ধারে সারি সারি ঝাউবন আর নারকেল গাছ, যা গোয়ার কথা মনে করাবে। ৩. ভিড় একদম নেই। পুরো বিচটা যেন আপনার প্রাইভেট বিচ। আপনি চাইলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা একা বসে থাকতে পারবেন। ৪. সূর্যাস্তের দৃশ্য অসাধারণ। আকাশ যখন কমলা-গোলাপি হয়, তখন সমুদ্রকে স্বপ্নের মতো লাগে।

কী দেখবেন?

লাল কাঁকড়ার দল: ভাটার সময় হাজার হাজার লাল কাঁকড়া বালির ওপর ঘুরে বেড়ায়, যা দেখতে দারুণ লাগে।

বহুদা নদীর মোহনা: ঠিক পাশেই বহুদা নদী সমুদ্রে মিশেছে। নদী ও সমুদ্রের এই মিলনস্থলটি অপূর্ব।

মৎস্যজীবীদের গ্রাম: সকালে জেলেদের মাছ ধরে ফেরার দৃশ্য দেখতে পাবেন।

কীভাবে যাবেন?

কলকাতা থেকে সোনাপুর যাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় ট্রেন। হাওড়া থেকে ব্রহ্মপুরগামী যে কোনও ট্রেনে (যেমন - ফলকনামা এক্সপ্রেস, চেন্নাই মেল) ব্রহ্মপুর স্টেশনে নামুন। সময় লাগবে প্রায় ৮-৯ ঘণ্টা। ব্রহ্মপুর থেকে সোনাপুর মাত্র ৩৫ কিলোমিটার। স্টেশন থেকে অটো বা গাড়ি ভাড়া করে সহজেই পৌঁছে যাবেন। গাড়িতে গেলে NH16 ধরে সোজা ব্রহ্মপুর।

থাকা-খাওয়ার খরচ কেমন?

এখানে বড় হোটেলের ভিড় নেই, তবে OTDC-র পান্থনিবাস আছে, যেটা সমুদ্রের একদম সামনে। ভাড়া ১৮০০ টাকা থেকে শুরু। এছাড়া কিছু প্রাইভেট হোটেল ও হোমস্টে আছে ১০০০-১৫০০ টাকার মধ্যে। খাওয়ার জন্য হোটেলেই টাটকা সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি পাবেন খুব সস্তায়। একদিনের ছুটিতে নিরিবিলিতে সমুদ্রকে চেটেপুটে উপভোগ করতে চাইলে সোনাপুর হতে পারে আপনার বেস্ট অপশন।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।