
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং পটাশিয়ামের ভাণ্ডার অ্যাভোকাডো সব দিক দিয়েই শরীরের জন্য উপকারী। আজও বেশিরভাগ মানুষের কাছে অ্যাভোকাডোর নাগাল নেই। অ্যাভোকাডো সম্পর্কিত কিছু ভুল ধারণার কারণে মানুষ এটি খেতে পছন্দ করে না। জেনে নিন অ্যাভোকাডো সম্পর্কিত ভুল ধারণা এবং তাদের সত্যতা সম্পর্কে।
১. ভুল ধারণা: অ্যাভোকাডো থেকে কিডনিতে পাথর হয়।
সত্য: অক্সালেট, ক্যালসিয়াম বা ইউরিক অ্যাসিডের অতিরিক্ত পরিমাণ মূত্রে থাকলে কিডনিতে পাথরের সমস্যা হয়। অ্যাভোকাডোতে অক্সালেটের পরিমাণ বেশি নয়, তাই কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি নয়। গবেষণা অনুসারে, অ্যাভোকাডোতে পাওয়া ফ্যাট স্বাস্থ্যকর। এই ফল শরীরের প্রদাহ কমায়।
২. ভুল ধারণা: অ্যাভোকাডোতে অতিরিক্ত পটাশিয়াম একে বিষাক্ত করে তোলে।
সত্য: একটি স্বাস্থ্যকর অ্যাভোকাডোতে ৭০০-৯০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। যদি আপনাকে কম পটাশিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, তাহলে কম অ্যাভোকাডো খাওয়া উচিত। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে অ্যাভোকাডো বিষাক্ত।
৩. ভুল ধারণা: অ্যাভোকাডোতে বেশি চর্বি থাকে, তাই এটি স্বাস্থ্যকর খাবার নয়।
সত্য: অ্যাভোকাডোতে স্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে, যাকে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বলা হয়। হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অ্যাভোকাডো উপকারী। এটি স্বাস্থ্যকর চর্বিকে কারণে খাওয়া বন্ধ করা উচিত নয়।
৪. ভুল ধারণা: অ্যাভোকাডোতে কোলেস্টেরল থাকে যা হার্টের জন্য অস্বাস্থ্যকর।
সত্য: অ্যাভোকাডোতে কোলেস্টেরল নেই। যদি আপনি হার্টের রোগী হন, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে অ্যাভোকাডো খেতে পারেন। আপনার অ্যাভোকাডো শুকনো খাওয়ার পরিবর্তে রান্নায় ব্যবহার করা উচিত।
৫. ভুল ধারণা: অ্যাভোকাডোর স্বাদ তিতা, যা খাবার নষ্ট করে দেয়।
সত্য: যদি আপনি কাঁচা অ্যাভোকাডো খান, তাহলে এর স্বাদ তিতা হবে। সবসময় পাকা অ্যাভোকাডোই ব্যবহার করা উচিত। পাকা অ্যাভোকাডোর স্বাদ মাখন বা আখরোটের মতো। বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ সবারই অ্যাভোকাডোর স্বাদ খুব পছন্দ। যদি এখনও আপনি অ্যাভোকাডো না খেয়ে থাকেন, তাহলে একবার এই স্বাস্থ্যকর ফলের স্বাদ নেওয়া উচিত।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News