
Helmet Wearing Tips: আইন বাঁচাতে রোজ হেলমেট পরেন, ভালো কথা। কিন্তু আয়নায় নিজের চুল দেখে কি ভয় পাচ্ছেন? অনেকেই ভাবে হেলমেট পরলেই বুঝি টাক পড়ে যায়। আজ এই ভুল ধারণাটা ভাঙব।
সোজা কথায় বলি, হেলমেট সরাসরি আপনার চুল ফেলায় না। চুল পড়া বা টাক হওয়ার আসল কারণ তিনটে। এক, জেনেটিক্স। আপনার বাবা বা দাদুর টাক থাকলে আপনারও হওয়ার চান্স বেশি। দুই, DHT নামের একটা হরমোন। এই হরমোন চুলের গোড়া দুর্বল করে দেয়। তিন, স্ট্রেস, খারাপ ডায়েট আর ঘুমের অভাব। হেলমেটের এখানে কোনো হাত নেই।
তাহলে সমস্যাটা কোথায় হয়? সমস্যা হয় আমাদের ভুল ব্যবহারে। সারাদিন বাইক চালিয়ে যখন হেলমেট খোলেন, ভেতরটা ঘামে ভিজে থাকে। এই ভেজা, গরম পরিবেশ ফাঙ্গাস আর ব্যাকটেরিয়ার জন্য স্বর্গ। দিনের পর দিন নোংরা হেলমেট পরলে স্ক্যাল্পে খুশকি, চুলকানি, ইনফেকশন হয়। এই ইনফেকশন থেকে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে চুল পড়া বাড়তে পারে। এটাকে ডাক্তারি ভাষায় বলে সেবোরিক ডার্মাটাইটিস।
আরেকটা বড় কারণ হলো টাইট হেলমেট। অনেকেই স্টাইলিশ লুকের জন্য একদম ফিটিং হেলমেট কেনেন। এই হেলমেট ঘণ্টার পর ঘণ্টা চুলের গোড়ায় টান দিতে থাকে। এর ফলে চুলের ফলিকল ড্যামেজ হয়। একে বলে ট্র্যাকশন অ্যালোপেশিয়া। বিশেষ করে কপালের দুই পাশ থেকে চুল পাতলা হতে শুরু করে।
তাই ভয় পাবেন না, হেলমেট ছাড়বেন না। বরং এই তিনটে নিয়ম মানুন। এক, হেলমেটের নিচে সবসময় একটা পরিষ্কার সুতির ক্যাপ বা বানডানা পরুন। এটা ঘাম শুষে নেবে আর হেলমেট আর চুলের মধ্যে একটা লেয়ার তৈরি করবে। দুই, প্রতি সপ্তাহে একবার হেলমেটের ভেতরের প্যাডগুলো খুলে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে নিন। তিন, বাইক থেকে নেমে সাথে চুল আর স্ক্যাল্প ভালো করে শুকিয়ে নিন। ভেজা স্ক্যাল্পে কখনও হেলমেট পরবেন না বা ঘুমাবেন না।
মনে রাখবেন, আইন আপনার জীবন বাঁচায় আর একটু সচেতনতা আপনার চুল বাঁচাবে। ভালো ভেন্টিলেশন আছে এমন ISI মার্কড হেলমেট ব্যবহার করুন। এই ভিডিওটা আপনার সব বাইকার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, কারণ সচেতনতাই আসল সমাধান।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News