
পুজো আসতে আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। শপিং প্রায় শেষ, এবার পালা নিজেকে সুন্দর করে তোলার। আমরা পুজোর আগে নানা দামি ক্রিম, ফেসপ্যাক, সিরাম ব্যবহার করতে শুরু করি। কিন্তু শুধু মুখে কিছু মাখলেই কি গ্ল্যামার আসে? একদমই না। বিউটিশিয়ানদের মতে, গ্ল্যামারাস লুকের ৫০% আসে স্কিন থেকে, বাকি ৫০% আসে অন্য কিছু অভ্যাস থেকে, যা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই।
তাই এবার পুজোয় যদি সত্যিই সবার থেকে আলাদা দেখতে চান, তাহলে স্কিন কেয়ারের পাশাপাশি এই ৪টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
আমরা মুখের দিকে এতটাই মন দিই যে চুলের কথা ভুলেই যাই। রুক্ষ, নির্জীব, খুশকি ভরা চুল নিয়ে আপনি যত দামি শাড়িই পরুন, লুক কখনওই সম্পূর্ণ হবে না। পুজোর অন্তত ১৫ দিন আগে থেকে সপ্তাহে দুবার তেল মালিশ করুন, হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন। আর পুজোর সময় হিট টুলস যেমন স্ট্রেটনার, কার্লার কম ব্যবহার করুন। একটা ভালো হেয়ারকাট আপনার লুক ১০০% বদলে দিতে পারে।
আপনি ১০ হাজার টাকার ক্রিম মাখলেও, রাতে ৫ ঘণ্টা ঘুমালে চোখের নিচে কালি পড়বেই। আর জল কম খেলে ত্বক ভিতর থেকে শুষ্ক হয়ে যাবে, মেকআপ ফেটে যাবে। পুজোর আগে প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম এবং অন্তত ৩ লিটার জল খাওয়া বাধ্যতামূলক করুন। এটাই হল সবচেয়ে সস্তা এবং কার্যকরী বিউটি ট্রিটমেন্ট, যা আপনাকে ভিতর থেকে গ্লো দেবে।
অনেকেই ইউটিউব দেখে ভারী মেকআপ করে ফেলেন। মনে রাখবেন, দুর্গাপুজোর দিনের বেলার লুক আর রাতের লুক এক নয়। দিনের বেলা অষ্টমীর অঞ্জলির সময় হালকা, ডিউয়ি মেকআপ করুন। রাতে নবমীর পার্টির জন্য একটু গ্ল্যামারাস, স্মোকি আই করতে পারেন। আর সবচেয়ে বড় ভুল হল নিজের স্কিনটোনের থেকে এক-দু শেড ফর্সা ফাউন্ডেশন লাগানো। এতে মুখ সাদা আর গলা কালো দেখায়। সবসময় নিজের গলার রঙের সাথে মিলিয়ে ফাউন্ডেশন কিনুন।
শুধু জামা-কাপড় পরলেই হল না, তার সাথে মানানসই কানের দুল, ব্যাগ, জুতো এবং হেয়ারস্টাইল খুব জরুরি। একটি সাধারণ শাড়িকেও একটি বড় ঝুমকো আর সুন্দর টিপ গ্ল্যামারাস করে তুলতে পারে। আর সবশেষে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আত্মবিশ্বাস। আপনি যা পরছেন, তা যদি আত্মবিশ্বাসের সাথে ক্যারি করতে না পারেন, তাহলে কোনও সাজই সুন্দর লাগবে না। সোজা হয়ে হাঁটুন, হাসুন, নিজেকে ভালোবাসুন - দেখবেন আপনার গ্ল্যামার এমনিতেই ঠিকরে বেরোচ্ছে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News