
পুজোর ছুটিতে ট্রেনের টিকিট পাওয়া মানেই লটারি জেতা। বিশেষ করে রাতের ট্রেন। কিন্তু ট্রেনে উঠে মনে পড়ে, আরে চার্জার আনিনি, জলের বোতল ফাঁকা, চাদরটা কেমন যেন। রাতের জার্নি যাতে কষ্টকর না হয়, তার জন্য আগে থেকে ব্যাগ গুছিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
IRCTC চাদর দিলেও পুজোর ভিড়ে তা কতটা পরিষ্কার থাকবে বলা মুশকিল। নিজের একটি পাতলা বেডশিট, একটি বালিশের কভার এবং একটি হালকা কম্বল বা দোহার সঙ্গে নিন। হাইজিনও থাকবে, ঘুমও ভালো হবে।
রাতের ট্রেনে একটা চার্জিং পয়েন্টের জন্য ৮ জনের লড়াই। ফুল চার্জ করা ২০,০০০ mAh পাওয়ার ব্যাঙ্ক মাস্ট। সঙ্গে একটি ছোট এক্সটেনশন কর্ড বা ২-পিন মাল্টি-প্লাগ নিলে সবার সুবিধা।
পুজোর সময় ট্রেনে চুরি বাড়ে। ব্যাগ চেন দিয়ে বেঁধে রাখার জন্য একটি ছোট তালা ও চেন। আর ক্যাশ, ফোন, টিকিটের জন্য একটি ছোট স্লিং ব্যাগ বা মানিব্যাগ যা ঘুমানোর সময় বালিশের নিচে রাখতে পারবেন।
ট্রেনের প্যান্ট্রির ভরসায় থাকবেন না। বাড়ি থেকে শুকনো খাবার - যেমন চিঁড়ে ভাজা, কেক, বিস্কুট, লাড্ডু নিন। ১ লিটারের ২টি জলের বোতল। সঙ্গে ORS, গ্যাসের ওষুধ। রাতে অ্যাসিডিটির সমস্যা খুব হয়।
ছোট হ্যান্ডওয়াশ, টিস্যু পেপার, ওয়েট ওয়াইপস, স্যানিটাইজার। টয়লেট যাওয়ার জন্য নিজের টয়লেট পেপার রোল। এই ছোট জিনিসগুলোই রাতে সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।
জিন্স পরে রাতে ঘুমানো যায় না। ব্যাগের ওপরে একটি নরম পায়জামা ও টি-শার্ট রাখুন। আর পায়ের কাছে খোলার জন্য একটি হালকা রাবারের চপ্পল। বাথরুমে যাওয়ার সময় জুতো খুঁজতে হবে না।
একটি ভালো হেডফোন - পাশের বার্থের নাক ডাকার শব্দ থেকে বাঁচাবে। একটি ছোট টর্চ। আর অবশ্যই - আইডি কার্ডের জেরক্স, টিকিটের প্রিন্ট (ফোনে চার্জ শেষ হলে কাজে লাগবে) এবং বাড়ির লোকের সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করে রাখুন।
এই কয়েকটা জিনিস গুছিয়ে নিলেই পুজোর রাতের ট্রেন জার্নি হবে একদম টেনশন ফ্রি। শুভ যাত্রা!
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News