
কীভাবে কাঠের আসবাব পরিষ্কার করবেন: বাড়ির ছাদ থেকে রান্নাঘর পর্যন্ত সময়ে সময়ে পরিষ্কার করা হয়, কিন্তু যে জিনিসগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেগুলো প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়। আমরা কাঠের আসবাবপত্রের কথা বলছি, যার মধ্যে সোফা, বিছানা থেকে শুরু করে টিভি স্ট্যান্ড পর্যন্ত রয়েছে। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ফলে এগুলোর উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায় এবং পুরোনো দেখাতে শুরু করে। আপনিও যদি এগুলো পরিষ্কার করার কথা ভাবেন, তাহলে আজ আমরা আপনার জন্য সহজ কিছু টিপস ও ট্রিকস নিয়ে এসেছি, যা আপনার কাজকে সহজ করে তুলবে।
ভারতীয় বাড়িতে এটি একটি অনেক পুরোনো কৌশল। এর সাহায্যে সহজেই কাঠের বিছানা বা সোফা পরিষ্কার করা যায়। ভিনিগার ময়লা ও তেলচিটে ভাব দূর করে, আর অলিভ অয়েল শুকনো কাঠকে হালকা উজ্জ্বলতা এবং আর্দ্রতা দেয়। যদি ময়লা বেশি থাকে, তাহলে ভিনিগার বেশি ব্যবহার করুন এবং কাঠ শুকনো হলে তেলের অনুপাত বাড়ান। দুটো মিশিয়ে হালকা কাপড়ে ডুবিয়ে আসবাবপত্র পরিষ্কার করতে পারেন।
কাঠের আসবাবপত্র পলিশ করতে হলে টার্পিন বা মিনারেল স্পিরিটের সঙ্গে বিসওয়াক্স মিশিয়ে লাগান। এটি একটি শক্তিশালী স্তর তৈরি করে দারুণ উজ্জ্বলতা দেয়। এটি প্রতি ৩০-৪০ দিন অন্তর ব্যবহার করা যেতে পারে।
লেবুর রস প্রাকৃতিক ক্লিনারের মতো কাজ করে। আপনি এটি সাইট্রাস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে হালকা কাপড় দিয়ে সোফা, বিছানা বা কাঠের চেয়ার পরিষ্কার করতে পারেন। এর গন্ধে পোকামাকড়ের উপদ্রবও কমে যায়। এই মিশ্রণটি ব্যবহারের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই তৈরি করুন, বেশিদিন রাখলে নষ্ট হয়ে যাবে।
কাঠের আসবাবপত্রে প্রায়ই ধুলো জমে যায়। তাই বিভিন্ন কৌশল চেষ্টা না করে জোজোবা অয়েল ব্যবহার করুন, এটি মোমের মতো তরল। এর আঠালো ভাব কম হওয়ায় আসবাবপত্রে ধুলো কম জমে। এটি টেবিল এবং হ্যান্ডেল পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।
যদি কাঠের বিছানা বা সোফায় গভীর দাগ থাকে এবং ঘষার পরেও না ওঠে, তাহলে আপনাকে কৌশল বদলাতে হবে। এই কাজটি মোমোর সঙ্গে ব্যবহৃত মেয়োনিজ দিয়েও করা যেতে পারে। এক কাপ গরম জলে সামান্য মেয়োনিজ মিশিয়ে দাগের জায়গায় লাগিয়ে ১০-১২ ঘণ্টা রেখে দিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি আর্দ্রতা শুষে নিয়ে আসবাবপত্রকে চকচকে করে তুলবে।