রক্তে লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়। এই অবস্থাকেই অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা বলে। ডায়েটে কিছু বদল আনলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। দেখে নিন কোন কোন খাবার রক্তাল্পতা রুখতে সাহায্য করে।
211
কলাতে ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ ভরপুর থাকে, যা অ্যানিমিয়ার জন্য খুব উপকারী
কলাতে ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ থাকায় এটি অ্যানিমিয়ার জন্য খুব উপকারী। এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে আরও ভাল ফল পাওয়া যায়। কলার ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে এবং অন্ত্রের ভাল ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। প্রায় ৫০ দিনের মধ্যে হজম ব্যবস্থার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি অনুভব করা যায়।
311
নিয়মিত গুড় খেলে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করা যায়
নিয়মিত গুড় খেলে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করা যায়। মাত্র ১০ গ্রাম গুড় থেকে শরীর দৈনিক চাহিদার ৩ শতাংশ আয়রন পায়। এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
411
মেথি ভেজানো জলে থাকা ফাইবার বদহজম, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমায়
অ্যানিমিয়া রুখতে মেথি খুব কার্যকর। এর বীজে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। মেথি ভেজানো জলে থাকা ফাইবার বদহজম, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমায়। এটি পুষ্টির শোষণ ক্ষমতাও বাড়াতে সাহায্য করে।
511
রোজ বেদানা খেলে গাঁটের ব্যথা ও প্রদাহ কমে
বেদানায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরকে আয়রন শোষণে সাহায্য করে। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় পেট পরিষ্কার রাখে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল করে। রোজ বেদানা খেলে গাঁটের ব্যথা ও প্রদাহ কমে।
611
পালং শাক খেলে অ্যানিমিয়া দূরে থাকে
পালং বা লাল শাকে আয়রন, বিটা-ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি৯, সি এবং ফাইবার ভরপুর থাকে। এটি অ্যানিমিয়া দূরে রাখে। এই শাক লিভারের স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ভাল এবং ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
711
শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়ানোর জন্য বিটের রস একটি দুর্দান্ত প্রাকৃতিক উপায়
শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়ানোর জন্য বিটের রস একটি দুর্দান্ত প্রাকৃতিক উপায়। এতে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। এর নাইট্রেট রক্তনালীকে প্রসারিত করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
811
কুমড়োর বীজ অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে
কুমড়োর বীজ শুধু মুখরোচক খাবারই নয়, এটি পুষ্টির ভাণ্ডারও। প্রতি ১০০ গ্রাম বীজে প্রায় ৩.৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। এতে থাকা ট্রিপটোফ্যান ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে।
911
প্রতি ১০০ গ্রাম ডার্ক চকোলেটে প্রায় ১১.৯ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে
ডার্ক চকোলেট শুধু সুস্বাদুই নয়, আয়রনেও ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ১১.৯ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (ফ্ল্যাভোনয়েড) রক্ত চলাচল উন্নত করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
1011
পিনাট বাটার স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং আয়রনে সমৃদ্ধ
পিনাট বাটার স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং আয়রনে সমৃদ্ধ। এটি অ্যানিমিয়া সারাতে বেশ কার্যকর। এটি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন জুগিয়ে পেশি গঠনেও সাহায্য করে।
1111
মধুতে থাকা আয়রন, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়
মধুতে থাকা আয়রন, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এর ফলে অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করা সহজ হয়। এছাড়া মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।