বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে ক্যান্সার অন্যতম। দীর্ঘদিন ধরে কিছু নির্দিষ্ট খাবার খেলে ডিএনএ-র ক্ষতি, শরীরের ভেতরে প্রদাহ বা স্থূলতা দেখা দেয়, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।
বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ ক্যান্সারে প্রাণ হারাচ্ছেন। ভুল খাদ্যাভ্যাস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য গ্রহণের ফলে শরীরে জিনগত রূপান্তর ঘটতে পারে। এটিই পরবর্তীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়।
27
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বেকন, হট ডগ ও সালামির মতো প্রক্রিয়াজাত মাংসকে 'গ্রুপ ১ কার্সিনোজেন' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এগুলো সংরক্ষণে নাইট্রেট ও নাইট্রাইট ব্যবহার করা হয়, যা কোলন, রেকটাল ও পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
37
চিপস বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো স্টার্চযুক্ত খাবার অতিরিক্ত তাপে ভাজলে অ্যাক্রিলামাইড তৈরি হয়। বারবার একই তেল ভেজে ব্যবহার করলে তাতে বিষাক্ত উপাদান জমতে থাকে, যা ক্যান্সারের আশঙ্কা তৈরি করে।
47
গরু, শুয়োর বা খাসির মাংসের মতো রেড মিট অতিরিক্ত খেলে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। উচ্চ তাপে রান্না বা সরাসরি আগুনে গ্রিল করার সময় এগুলোতে হেটেরোসাইক্লিক অ্যামাইনস (HCA) এবং পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের (PAH) মতো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক তৈরি হয়।
57
অ্যালকোহল বা মদ হলো 'গ্রুপ ১' কার্সিনোজেন। মুখ, গলা, স্তন, লিভার ও কোলোরেক্টাল সহ অন্তত সাত ধরণের ক্যান্সারের বড় কারণ এই অ্যালকোহল। সামান্য পরিমাণে মদ্যপান করলেও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
67
প্যাকেটজাত স্ন্যাক্স, ফাস্টফুড, মিষ্টি সিরিয়াল এবং রেডি-টু-ইট খাবারে ফাইবার ও পুষ্টি উপাদান থাকে না বললেই চলে। এই খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে স্থূলতা ও প্রদাহ বাড়ে। এগুলো একাধিক ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
77
মিষ্টি পানীয়, সোডা বা রিফাইন করা চিনি সরাসরি ক্যান্সার তৈরি করে না। কিন্তু এগুলো দ্রুত ওজন ও ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ায় এবং শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই অবস্থা ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।