জিরের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। সকালে খালি পেটে জিরের জল খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। জিরেতে থাকা বায়ো-অ্যাক্টিভ যৌগ ফ্যাটি লিভার রোগের ঝুঁকি কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
জিরের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। সকালে খালি পেটে জিরের জল খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। জিরেতে থাকা বায়ো-অ্যাক্টিভ যৌগ ফ্যাটি লিভার রোগের ঝুঁকি কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
28
ওজন কমাতে জিরে জল
দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজির সিনিয়র কনসালটেন্ট ডঃ সঞ্জয় জৈন বলছেন, জিরের জল হজমশক্তি বাড়াতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
38
হজম প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করে
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, জিরে হজমের এনজাইমগুলির কার্যকারিতা বাড়ায়। এটি হজম প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করে। এর ফলে পেট ফাঁপা বা বদহজমের মতো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাও কমে যায়।
‘অ্যানালস অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড মেটাবলিজম’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা বলছে, জিরের জল রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের ওজন, জমে থাকা ফ্যাট এবং ফাস্টিং ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে পারে।
58
শরীরের ফ্যাট কমে
জিরের জল লিভারে ফ্যাট জমা হওয়া কমিয়ে ফ্যাট প্রসেসিংয়ের গতি বাড়াতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে, ৩ মাস ধরে প্রতিদিন ৩ গ্রাম জিরে খেলে শরীরের ফ্যাট কমে, কোলেস্টেরলের প্রোফাইল উন্নত হয় এবং কোমরের মাপও কমে।
68
মেটাবলিজম বাড়ায়
এই পানীয় মেটাবলিজম বাড়ায় এবং খিদে নিয়ন্ত্রণ করে। খাবারের আগে জিরের জল খেলে বেশিক্ষণ পেট ভরা থাকে। এটি শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতেও সাহায্য করে।
78
ক্যানসার-বিরোধী বৈশিষ্ট্য
জিরের জলে ক্যানসার-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি বিভিন্ন ধরণের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং শরীরের অন্য অংশে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া বা মেটাস্ট্যাসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
88
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে ,সাবধান
খালি পেটে জিরের জল খেলে শরীর এর উপকারী যৌগগুলি ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। তবে এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। কারণ অতিরিক্ত জিরের জল খেলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হতে পারে।