
Health Insurance: স্বাস্থ্য বীমা থাকার পরেও কেন বিশেষজ্ঞ বা ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানাররা আলাদা "জরুরী মেডিকেল ফান্ড" (Medical Emergency Fund) গড়ার পরামর্শ দিচ্ছেন জানেন কী? তার প্রধান কারণগুলি হলো— পলিসির সীমাবদ্ধতা, নিজস্ব খরচ (out-of-pocket expenses), এবং নেটওয়ার্কের বাইরে চিকিৎসার খরচ । এই ফান্ড সাধারণত ৬-১২ মাসের সংসারের খরচের সমতুল্য হওয়া উচিত, যা যেকোনো অপ্রত্যাশিত স্বাস্থ্য সংকটে ঋণের হাত থেকে রক্ষা করে ।
* পকেটের খরচ (Out-of-Pocket Expenses): অনেক সময় চিকিৎসার সময় কনজুমেবল (যেমন- গ্লাভস, মাস্ক), যাতায়াত, বা বাড়ির লোকের খাওয়ার খরচ বীমায় কভার হয় না ।
* কো-পেমেন্ট (Co-payment) ও ডিডাক্টিবল (Deductibles): পলিসির শর্ত অনুযায়ী, চিকিৎসার মোট খরচের একটি নির্দিষ্ট অংশ (১০%-২০%) নিজেকে দিতে হতে পারে
* কভারেজের সীমা ও উপ-সীমা (Limits & Sub-limits): একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি খরচ হলে বা হাসপাতালের রুম ভাড়ার ওপর সীমা থাকলে অতিরিক্ত টাকা পকেট থেকে দিতে হয় ।
* নেটওয়ার্কের বাইরে হাসপাতাল: জরুরি অবস্থায় যদি নন-নেটওয়ার্ক হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়, তবে আগে নিজের টাকা দিয়ে বিল মেটাতে হয় এবং পরে রিইম্বারসমেন্টের (reimbursement) আবেদন করতে হয়।
* বেশি দাবির হার (Claims): বছরে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হলে বা বড় কোনো রোগের জন্য চিকিৎসার খরচ বীমার কভারেজকে ছাড়িয়ে যেতে পারে
১. সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা: নিজের আয় ও পরিবারের স্বাস্থ্যগত ইতিহাস বিবেচনা করে কত টাকা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করুন
২. সহজলভ্য বিনিয়োগ: এই ফান্ড এমন জায়গায় রাখুন যা প্রয়োজনে মুহূর্তের মধ্যে তোলা যায়, যেমন- সেভিংস অ্যাকাউন্ট, লিকুইড মিউচুয়াল ফান্ড, বা ফিক্সড ডিপোজিট (FD)
৩. আলাদা অ্যাকাউন্ট: সাধারণ সংসারের খরচের অ্যাকাউন্ট থেকে এই ফান্ড আলাদা রাখুন ।
৪. নিয়মিত বৃদ্ধি: সময়ের সাথে সাথে চিকিৎসার খরচ বাড়ছে, তাই প্রতি বছর বা আয় বাড়লে ফান্ডের পরিমাণও বাড়াতে হবে।
উপসংহার: স্বাস্থ্য বীমা হলো একটি সুরক্ষাকবচ, কিন্তু মেডিকেল ইমার্জেন্সি ফান্ড হলো আপনার আর্থিক ব্যাক-আপ। দুটো একসাথে থাকলে তা নিশ্চিত করে যে, চরম স্বাস্থ্য সংকটেও আপনার সঞ্চয় বা বিনিয়োগে হাত দিতে হবে না।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News