হোলির গুজিয়ার জন্য বাজার থেকে ভেজাল খোয়া না কিনে, বাড়িতেই বানিয়ে নিন খাঁটি মাওয়া। রইল কিছু সহজ কৌশল, যেমন ভারী তলার কড়াই ব্যবহার করা, ক্রমাগত নাড়া এবং মিল্ক পাউডার মেশানো, যা আপনাকে কম সময়ে পারফেক্ট খোয়া বানাতে সাহায্য করবে।
হোলির উৎসব গুজিয়া ছাড়া ভাবাই যায় না। আর গুজিয়ার জন্য দরকার খোয়া বা মাওয়া। কিন্তু বাজার থেকে কেনা খোয়া খেলে শরীর খারাপ হওয়ার ভয় থাকে, কারণ তাতে প্রচুর ভেজাল মেশানো থাকে। তার চেয়ে বরং বাড়িতেই অল্প সময়ে বানিয়ে নিন খাঁটি খোয়া। অনেকেই ভাবেন বাড়িতে খোয়া বানাতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু কয়েকটি সহজ কৌশল জানলে আপনিও বাড়িতে পারফেক্ট খোয়া বানাতে পারবেন। আসুন, জেনে নেওয়া যাক সেই সহজ টিপসগুলো।
কিছুক্ষণ দুধ ফুটিয়ে নিন
খোয়া বানানোর আগে দুধটা ৮ থেকে ১০ মিনিট ভালো করে ফুটিয়ে নিন। তারপর সেটা দিয়ে খোয়া বানানো শুরু করুন। এতে দুধের বাড়তি জল শুকিয়ে যায়। আর যদি ফুল ক্রিম দুধ ব্যবহার করেন, তাহলে খোয়া আরও তাড়াতাড়ি আর সুস্বাদু হবে।
ভারী তলার কড়াই বাছুন
খোয়া বানানোর জন্য সবসময় ভারী তলার কড়াই বা প্যান ব্যবহার করবেন। যদি পাতলা বাসনে দুধ ফোটান, তাহলে নাড়তে থাকলেও একটা সময়ের পর দুধ পুড়ে যেতে পারে। এতে খোয়ার স্বাদটাই নষ্ট হয়ে যাবে।
ক্রমাগত নাড়তে থাকুন
ভারী তলার কড়াইয়ে দুধ রান্না করলে তাপ সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে আর খোয়া তাড়াতাড়ি তৈরি হয়। যদি আপনি গ্যাসে দুধ বসিয়ে আঁচ কমিয়ে রেখে দেন, তাহলে খোয়া বানাতে অনেক বেশি সময় লাগবে। তাই মিডিয়াম থেকে হাই আঁচে দুধটা কড়াইয়ের ধার এবং তলা থেকে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। এতে দুধ তাড়াতাড়ি ঘন হবে আর কড়াইয়ে লেগেও যাবে না।
দুধে মিল্ক পাউডার মেশান
খোয়া বানানোর সময় দুধে যদি ১ থেকে ২ চামচ মিল্ক পাউডার মিশিয়ে দেন, তাহলেও দুধ তাড়াতাড়ি ঘন হয়ে যায় এবং কম সময়ে খোয়া তৈরি হয়ে যায়। যখনই দুধে মিল্ক পাউডার মেশাবেন, তার আগে অল্প দুধে সেটা গুলে নেবেন, তারপর মূল দুধের মধ্যে ঢালবেন।


