Health News: উচ্চ কোলেস্টেরল হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো গুরুতর সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। অনেক সময় আমাদের রোজকার কিছু সাধারণ অভ্যাস, যেমন কী খাচ্ছি বা কেমন ঘুমাচ্ছি, এ সবই এর জন্য দায়ী হতে পারে।
উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো বড় বিপদ হতে পারে। আমাদের রোজকার ছোট ছোট অভ্যাস, যেমন খাদ্যাভ্যাস বা ঘুমের ধরণ, ধীরে ধীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।
27
কোলেস্টেরল কী এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
কোলেস্টেরল হল লিভারের তৈরি এক ধরনের চর্বি। কোষ তৈরি, হরমোন নিঃসরণ ইত্যাদি জরুরি কাজে এটি দরকার। কিন্তু রক্তে এর পরিমাণ বাড়লে তা ধমনীর দেওয়ালে জমে যায় (অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস)। HDL হল 'ভালো' কোলেস্টেরল, যা অতিরিক্ত চর্বি সরায়। আর LDL হল 'খারাপ' কোলেস্টেরল, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
37
সকালের জলখাবার বাদ দিলে LDL কোলেস্টেরল বাড়তে পারে
সকালের জলখাবার বাদ দিলে মেটাবলিজম ব্যাহত হয়। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস পরে অতিরিক্ত খাওয়া বা ভুল খাবার বেছে নেওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে শরীরে অস্বাস্থ্যকর চর্বি বেড়ে যায় এবং ধীরে ধীরে LDL কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকে।
চিপস, বিস্কুটের মতো খাবারে ট্রান্স ফ্যাট ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট থাকে
চিপস, বিস্কুট বা ফ্রোজেন স্ন্যাকসের মতো খাবারে প্রচুর ট্রান্স ফ্যাট ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট থাকে। এগুলো শুধু খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়ায় না, ভালো কোলেস্টেরলও (HDL) কমিয়ে দেয়। নিয়মিত এই খাবারগুলো খেলে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়।
57
ব্যায়াম না করলে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়তে পারে
অফিসের ডেস্কে হোক বা বাড়িতে, দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে শরীরে চর্বি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কমে যায়। 'ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ মলিকিউলার সায়েন্সেস'-এর একটি গবেষণা বলছে, ব্যায়ামের অভাবে HDL (ভালো কোলেস্টেরল) কমে যায় এবং প্লাক জমার ঝুঁকি বাড়ে। রোজ ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটার মতো সাধারণ অভ্যাসও কোলেস্টেরলের ভারসাম্য ফেরাতে পারে।
67
চিনিযুক্ত পানীয় এবং মিষ্টি ওজন বাড়ায়
চিনি দেওয়া পানীয় বা মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খেলে ওজন বাড়ে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সমস্যা দেখা দেয়। এই পরিবর্তনগুলো পরোক্ষভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।
77
মানসিক চাপ এবং ঘুমের অভাব কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে
গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের অভাব এবং একটানা মানসিক চাপ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। মানসিক চাপের কারণে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতাও বাড়ে। রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।