লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়। মূলত মদ্যপানের কারণে এবং মদ্যপান ছাড়াও (নন-অ্যালকোহলিক) এই সমস্যা হতে পারে। ডায়েটে কিছু সাধারণ পরিবর্তন এনেই এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
লিভারে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চর্বি জমার সমস্যাকেই ফ্যাটি লিভার বলে। এটি মূলত দু'রকমের হয় - মদ্যপানের কারণে হওয়া অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার এবং অন্যটি নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরল এর প্রধান কারণ। সঠিক খাবারই পারে এই সমস্যাকে রুখতে। ফ্যাটি লিভার থাকলে আপনি নিশ্চিন্তে খেতে পারেন এমন ৬টি স্ন্যাকসের কথা জেনে নিন।
26
বাদাম, আখরোট, সূর্যমুখীর বীজ ও চিয়া সিড খান
আমন্ড, আখরোট, সূর্যমুখীর বীজ এবং চিয়া সিডের মতো খাবারে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। তবে আসল কথা হলো, এগুলো কাঁচা বা শুকনো খোলায় ভাজা খেতে হবে। নুন মিশিয়ে একদমই খাবেন না।
36
প্লেইন পনির কিউব বা মোজারেলা স্ট্রিং চিজ স্টিক খেতে পারেন
পনিরে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে। আপনি প্লেইন পনিরের টুকরো বা মোজারেলা চিজ স্টিক খেতে পারেন। তবে পরিমাণ মতো খাওয়ায় নজর দিন। কারণ ফুল-ফ্যাট পনিরে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ক্যালোরি বেশি থাকে। তাই খাওয়ার পরিমাণ ও রান্নার পদ্ধতি দুটোই জরুরি।
অ্যাভোকাডোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করে
অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা রক্তে লিপিড কমাতে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন ই-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও ভরপুর, যা লিভারকে সুরক্ষিত রাখে।
56
টক দই বেরি দিয়ে বা স্মুদি বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে
টক দই প্রোবায়োটিকস ও প্রোটিনে ভরপুর, যা হজমে সাহায্য করে এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখে। এটি বিভিন্ন বেরি জাতীয় ফলের সঙ্গে বা স্মুদি বানিয়েও খেতে পারেন।
66
ডিম প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের একটি চমৎকার উৎস
ডিম হলো প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের দারুণ উৎস। লিভার সুস্থ রাখতে সামান্য নুন ও গোলমরিচ দিয়ে ডিম খেতে পারেন। পরিমিত পরিমাণে খেলে ডিম লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। এতে থাকা উন্নত মানের প্রোটিন লিভারের কোষ মেরামত করতে সাহায্য করে। এছাড়া ডিমে কোলিনও থাকে।