Health News: খেজুর একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ড্রাই ফ্রুট। এতে ভিটামিন এ, আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো জরুরি পুষ্টি উপাদান ভরপুর পরিমাণে থাকে।
খেজুর একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর ড্রাই ফ্রুট। এতে ভিটামিন এ, আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো জরুরি উপাদান রয়েছে।
27
ডায়াবেটিস রোগীরা কি খেজুর খেতে পারেন? এই প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে।
ডায়াবেটিস রোগীরা কি খেজুর খেতে পারেন? এই প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিমিত পরিমাণে খেজুর খাওয়া যেতে পারে। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Glycemic Index) কম হওয়ায় রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বাড়ে না।
37
খেজুরে ক্যালোরি বেশি থাকায়, যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত।
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। এই ফাইবার রক্তে শর্করার শোষণ প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। তবে খেজুরে ক্যালোরি বেশি থাকায়, যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত।
খেজুরে প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামের মতো উপকারী পুষ্টি উপাদানও রয়েছে। দিনে এক বা দুটি খেজুর খাওয়াই নিরাপদ। এর বেশি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
57
প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবার খিদে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
আর্টেমিস হসপিটালের ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটিক্স বিভাগের টিম লিড অংশুল সিং বলছেন, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত খাবার রক্তে শর্করার বৃদ্ধি আটকায় এবং পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তাই খেজুর পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।
67
প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে প্রায় ৮ গ্রাম ফাইবার থাকে।
প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে প্রায় ৮ গ্রাম ফাইবার থাকে। কোনও খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যত বেশি হয়, রক্তে শর্করার মাত্রা তত দ্রুত বাড়ার ঝুঁকি থাকে।
77
সবার শারীরিক অবস্থা একরকম হয় না।
সবার শারীরিক অবস্থা একরকম হয় না। তাই আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে, তাহলে নিজের খাদ্যতালিকায় খেজুর যোগ করার আগে অবশ্যই একজন ডাক্তার বা ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।