Tooth Brush: ওরাল হেল্থ কিছু কৌশল এবং ধারাবাহিকতার উপর নির্ভর করে। আধুনিক দন্ত চিকিৎসাও এই বিষয়টির উপর জোর দেয়। মাড়ির স্বাস্থ্য হৃদরোগ থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত সব কিছুকে প্রভাবিত করতে পারে।
Tooth Brush Usage: দাঁত মাজার সঠিক পদ্ধতি হলো দিনে দুবার ২ মিনিট করে, ৪৫-ডিগ্রি কোণে ব্রাশ ধরে হালকা চাপে আলতোভাবে বৃত্তাকারে মাজা, আর এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা । দাঁতের মাড়ি ও দাঁতের সংযোগস্থলে ব্রাশের ব্রিসল রেখে আলতোভাবে গোল গোল ঘুরিয়ে এবং উপর-নিচ করে ব্রাশ করা প্রয়োজন, জোরে ঘষা মাড়ির ক্ষতি করে।
বিশেষজ্ঞদের দেওয়া সঠিক দাঁত মাজার বিস্তারিত নিয়মাবলী-
সঠিক কোণ (৪৫ ডিগ্রি): ব্রাশটি মাড়ির সাথে ৪৫-ডিগ্রি কোণে রাখুন, যেন ব্রিসলগুলো মাড়ি ও দাঁতের সংযোগস্থলে পৌঁছয়, কারণ এখানেই প্লাক ও ক্যালকুলাস বেশি জমা হয।
হালকা চাপ: খুব জোরে ব্রাশ করা অনুচিত, এতে দাঁতের ওপরের স্তর এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে ।
বৃত্তাকার গতি: ব্রাশটিকে ছোট, মৃদু বৃত্তাকার গতিতে (Small circular motion) ঘোরান, খুব বেশি জোরে ঘষবেন না।
সব পৃষ্ঠ পরিষ্কার: দাঁতের বাইরের দিক, ভেতরের দিক এবং চিবানোর পৃষ্ঠগুলো ভালো করে পরিষ্কার করুন।
সামনের দাঁতের ভেতর দিক: সামনের দাঁতের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে ব্রাশটিকে খাড়াভাবে (vertically) ধরে ওপর-নিচ করে ব্রাশ করুন।
সময় ও ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দু'বার (সকালে ব্রেকফাস্ট আগে ও রাতে শোয়ার আগে) ২ মিনিট করে ব্রাশ করা আদর্শ।
জিভ পরিষ্কার: ব্যাকটেরিয়া দূর করতে জিভ পরিষ্কার করা বা ব্রাশ করা জরুরি।
সঠিক টুলস: নরম ব্রিসলযুক্ত (soft-bristled) ব্রাশ ব্যবহার করুন এবং ৩-৪ মাস পরপর ব্রাশ পরিবর্তন করুন।
ভুল পদ্ধতি যা এড়িয়ে চলবেন-
জোরে জোরে ঘষা: এতে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয় এবং মাড়ির ক্ষতি হয় ।
খুব কম সময় ব্রাশ করা: দুই মিনিটের কম ব্রাশ করলে ঠিকমতো প্লাক দূর হয় না।
সঠিক সময়ে না মাজা: খাওয়ার পরপরই না মাজা এবং দিনে অন্তত দু'বার না মাজা ভুল অভ্যাস
সঠিক নিয়ম মেনে ব্রাশ করলে দাঁত সুস্থ থাকে এবং মাড়ির রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।