পয়লা বৈশাখের উৎসবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য লোভ সংবরণ করা জরুরি। এই সময় অল্প পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং সঠিক সময়ে জল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সামনেই পয়লা বৈশাখ। বাঙালির উৎসবের মধ্যে এটি অন্যতম। এই দিন বাঙালি সাজ, বাঙালি খাবার থেকে প্যাকেট ভর্তি মিষ্টি কিংবা দোকানে হালখাতা করতে যাওয়া- এই নিয়ে ব্যস্ত থাকে বাঙালি। তবে, উৎসবের দিনে শরীরের দিকে দিন বিশেষ নজর। লোভ সংবরণ না-করলেই বিপদ। বাড়তে পারে ডায়াবেটিস। জেনে নিন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী করবেন।
28
উৎসবের দিনে সব থেকে বড় চ্যালেন্ড নিজের লোভ নিয়ন্ত্রণে রাখা। মিষ্টি পোলাও, লুচি, কচুরি এই সব পদ হয়েই থাকে। এই সময় ডায়াবেটিস থাকলে এমন খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। একান্ত খুব ইচ্ছা হলে সবই খান অল্প করে। শুধু একটু স্বাদ নিন।
38
সকালের শুরুটা হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান। তেল-মশলাযুক্ত খাবারের বদলে এই দিন সকালে ওটস, ডিম, সবজি খেতে পারেন। কিংবা অল্প পরিমাণে রুটিও খেতে পারেন। সকালে ভাজাভুজি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
অনেক ক্ষণ না খেয়ে খাবার খেলে এর থেকে শরীর খারাপ হয়। এই সময় অল্প অল্প করে খাবার খান। এই সময় উৎসবের দিনে খাবারের সময় ঠিক থাকে না। এর থেকে দেখা দেয় শারীরিক জটিলতা। তাই এই দিন যাই কাজ করুন না কেন, সঠিক সময় খাবার খান।
58
শারীরচর্চা অবহেলা করবেন না এই সময়। এই সময় ছোট ভুলে সামান্য ক্ষতি হতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে শরীরচর্চা করা আবশ্যক। তাই উৎসব বলে ভুলেও শরীরচর্চা বাদ দেবেন না।
68
নিয়ম করে জল খান। খাবার খাওয়ার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে এক গ্লাস ভর্তি জল পান করুন। অনেকে খাবার খাওয়ার পরেই জল পান করে থাকেন। এতে শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। তাই খাবার খাওয়ার আগে জল পান করুন।
78
পার্বণের দিনে মিষ্টি বেশি খেয়ে ফেললে অন্যান্য কার্বোহাইড্রেট বাদ দিলে ভালো। ভাত রুটির পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। বদলে সবজি খেয়ে ফাইবারের পরিমাণ বাড়াতে হবে।
88
এদিন একান্ত মিষ্টি খেতে হলে চিকিৎসক আরও একটি কৌশলের কথা জানিয়েছেন। খাওয়ার আধ ঘন্টা আগে এক গ্লাস জলে ১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ ও অপরিশোধিত অ্যাপেল সিডার ভিনিগার গুলে খেয়ে নিন। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজ চট করে বাড়তে পারে না।