Humidifier: এসি চালালেও শরীর খারাপ হবে না, যদি ঘরে থাকে এই যন্ত্র..

Published : Mar 17, 2026, 10:37 PM IST
Room Air Conditioners

সংক্ষিপ্ত

Humidifier: এখন রাতের দিকে এসি চালিয়ে শুলে আরাম হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু অন্য শারীরিক সমস্যা বাড়ছে। এই কারণে মরসুম বদলের সময় নাক বন্ধ, নাক দিয়ে জল পড়া, গলা বসে যাওয়া, অ্যালার্জির সমস্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। তা হলে উপায়? 

রাতে এসি চালালে সর্দি-কাশি বা অ্যালার্জি এড়াতে ঘরে একটি হিউমিডিফায়ার (Humidifier) রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। এসি ঘরের আর্দ্রতা শুষে নিয়ে বাতাস শুষ্ক করে ফেলে, যা শ্বাসকষ্ট, শুষ্ক কাশি এবং অ্যালার্জির কারণ। হিউমিডিফায়ার বাতাসে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় রেখে গলা ও শ্বাসনালী ভালো রাখে এবং এসি থেকে সৃষ্ট শারীরিক সমস্যা কমায়।

চিকিৎসকদের মতে‌, এসি চালালেই হল না। কত তাপমাত্রায় সেটি সেট করবেন, সেটা যেমন জানা দরকার, তার পাশাপাশি আর্দ্রতার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে বইকি। বাইরে তাপমাত্রার পারদ চড়ছে দেখে ঘরে ২৩ বা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই এসির তাপমাত্রা সেট করলেন। এর পরেও কিন্তু বেশি ক্ষণ এসি চললে সর্দি-কাশি, গলাব্যথার সমস্যা হতে পারে। মাথা যন্ত্রণা শুরু হয় অনেকেরই। এর কারণ হল, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রটি ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে দিচ্ছে ঠিকই, সেই সঙ্গে আর্দ্রতাও শুষে নিচ্ছে। ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় যে পরিমাণ আর্দ্রতা থাকা উচিত, তার অনেকটাই কমিয়ে দেয় এসি। ফলে তাপমাত্রার সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতার সামঞ্জস্য থাকে না। ঘরের আবহাওয়া খুবই শুষ্ক হয়ে যায়। সে কারণেই হাঁচি-কাশি, অ্যালার্জির সমস্যা বাড়ে। মাইগ্রেন বা সাইনাস থাকলে ক্ষতি আরও বেশি হয়।

বিস্তারিত আলোচনা ও ঘর চাঙ্গা রাখার উপায়:

* সমস্যার কারণ: এসি শুধু ঘর ঠান্ডা করে না, বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নেয় (ডিহিউমিডিফিকেশন)। ফলে চোখ, নাক ও গলার মিউকাস মেমব্রেন শুকিয়ে যায়, যা থেকে হাঁচি, কাশি, অ্যালার্জি বা সাইনাসের সমস্যা বাড়ে । এছাড়া, এসি নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ফিল্টারে জমে থাকা ধুলো-বালি ও ছত্রাক বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে ।

* হিউমিডিফায়ার-এর ভূমিকা: এটি বাতাসে জলের কণা ছড়িয়ে আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখে। শুকনো ঠান্ডা বাতাস ফুসফুসে গেলে যে কাশি বা জ্বালাভাব হয়, তা হিউমিডিফায়ার ব্যবহারে কমে

* অতিরিক্ত টিপস:

• এয়ার পিউরিফায়ার: এসি-র সাথে এয়ার পিউরিফায়ার (Air Purifier) ব্যবহার করলে ধুলো ও অ্যালার্জেন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়

 

* তাপমাত্রা: এসি-র তাপমাত্রা ২৪-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখুন।

 

* পরিচ্ছন্নতা: মাসে অন্তত একবার এসি-র ফিল্টার পরিষ্কার করুন, বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময়।

 

* জল পান: এসিতে থাকলে শরীর শুষ্ক হয়ে যায়, তাই প্রচুর জল পান করুন।

হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে রাতে নাক ও গলা শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা দূর হবে এবং এসি চললেও আপনি সুস্থ থাকবেন।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Travel Guide: ভারতের একমাত্র 'ঘুমন্ত রাজ্য ' কোনটি? জানুন বিস্তারিত
বাড়িতে খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে হিংয়ের কাচুরি , রইলো রেসিপি