ব্যস্ত জীবনে সময় বাঁচাতে আজকাল বেশিরভাগ বাড়িতেই মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করা হয়। অনেকেই ফ্রিজে রাখা খাবার প্লাস্টিকের পাত্রসহ ওভেনে গরম করেন। কিন্তু এই অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক সমস্যা তৈরি করতে পারে।
উচ্চ তাপমাত্রার সংস্পর্শে এলে প্লাস্টিকের পাত্রের গঠন দুর্বল হয়ে যায় এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা খাবারে মিশে যায়, যা খালি চোখে দেখা যায় না। তৈলাক্ত, মশলাদার বা অ্যাসিডিক খাবার গরম করলে এই রাসায়নিক পরিবর্তন দ্রুত হয়।
25
'মাইক্রোওয়েভ সেফ' লেবেল কি সত্যিই নিরাপদ?
'মাইক্রোওয়েভ সেফ' লেবেলের অর্থ শুধু এই যে পাত্রটি সহজে গলবে না। এই পাত্রগুলোও গরম হলে অল্প পরিমাণে রাসায়নিক নির্গত করে। পুরোনো বা দাগযুক্ত পাত্র বেশি বিপজ্জনক। ক্রমাগত ব্যবহারে 'সেফ' পাত্রও অনিরাপদ হয়ে ওঠে।
35
দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কী প্রভাব পড়ে?
প্লাস্টিক মিশ্রিত খাবার খেলে সঙ্গে সঙ্গে কোনো পরিবর্তন দেখা না গেলেও, বছরের পর বছর এই অভ্যাস হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, বন্ধ্যত্ব, থাইরয়েডের সমস্যা এবং শিশুদের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
গরম করতে কাঁচ বা সিরামিকের পাত্র ব্যবহার করুন। ফ্রিজে খাবার রাখতে স্টিলের পাত্র ভালো। হোটেলের প্লাস্টিকের পাত্র পুনরায় গরম করবেন না। দাগযুক্ত বা পুরোনো প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
55
এর সমাধান কী?
একবার প্লাস্টিকের পাত্রে গরম করলে বড় কোনো ক্ষতি না হলেও, এটি অভ্যাসে পরিণত হলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কাঁচের পাত্র ব্যবহার করা একটি সহজ এবং নিরাপদ সমাধান।