Travel Tips: কলকাতার কাছেই ওড়িশার গঞ্জাম জেলার পাতিসোনাপুর (Patisonapur) একটি নির্জন ও সুন্দর সমুদ্রসৈকত। যা কোলাহলমুক্ত উইকএন্ডের জন্য আদর্শ। এটি সোনাপুর বিচ নামেও পরিচিত। যেখানে নদী ও সমুদ্রের মিলনস্থলে রূপালী বালিয়াড়ি দেখা যায়।
পাতিসোনাপুর সি বিচের প্রধান আকর্ষণ হলো এর 'ব্যাকওয়াটার' বা খাঁড়ি। সমুদ্র আর মোহনার এই মিলনস্থলটি এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে। এখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত, দুই রূপই অত্যন্ত মনোরম। সৈকত জুড়ে সারিবদ্ধ ঝাউবন আর সাদা বালির চড়া আপনাকে মুগ্ধ করবেই।
* নির্জনতা: দিঘা বা পুরীর মতো ভিড় নেই। * প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: সমুদ্রের গর্জন এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবনযাত্রা। * সানসেট: অপূর্ব সূর্যাস্ত দেখা যায়।
বিস্তারিত ভ্রমণ নির্দেশিকা:
* যাতায়াত: কলকাতা থেকে ট্রেন বা বাসে যাওয়া সুবিধাজনক।
* ট্রেন: হাওড়া/শিয়ালদহ থেকে পুরীগামী বা দক্ষিণ ভারতগামী ট্রেনে চড়ে ব্রহ্মপুর (Berhampur) স্টেশনে নামতে হবে। স্টেশন থেকে অটো বা ট্যাক্সি নিয়ে খুব সহজেই পৌঁছানো যায় পাতিসোনাপুর।
দূরত্ব: ব্রহ্মপুর স্টেশন থেকে প্রায় ২৫-৩০ কিমি।
থাকা ও খাওয়া: সৈকতের কাছাকাছি স্থানীয় হোমস্টে বা পান্থনিবাস রয়েছে। ওড়িশার খাঁটি সামুদ্রিক খাবার ও মাছ এখানে বিশেষভাবে উপভোগযোগ্য।
পাতিসোনাপুরে থাকার জন্য এখনও খুব বেশি বিলাসবহুল হোটেল গড়ে ওঠেনি। তবে ওড়িশা পর্যটনের (OTDC) পান্থনিবাস এবং কিছু বেসরকারি রিসোর্ট রয়েছে। ওড়িশার খাঁটি সামুদ্রিক মাছের কারি এবং কাঁকড়ার ঝাল এখানকার অন্যতম আকর্ষণ। হোটেল থেকে সমুদ্রের গর্জন শুনতে শুনতে রাত কাটানো এক দারুণ অভিজ্ঞতা।
কাছাকাছি দর্শনীয়:
• বারকুল পান্থনিবাস: চিলিকা লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ওড়িশা ট্যুরিজমের বারকুল গেস্ট হাউসে যেতে পারেন। তারা তারিণী মন্দির কাছাকাছি একটি বিখ্যাত মন্দির।
সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ মাস (শীতকাল) ঘোরার জন্য উপযুক্ত। পাতিসোনাপুর প্রকৃতির সান্নিধ্যে শান্তিতে দু-তিন দিন কাটানোর জন্য একটি দারুণ গন্তব্য।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News