Oats Health Tips: মাত্র দু'দিন ওটস খেলেই নাকি কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব। সম্প্রতি জার্মানির বন ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। কী বলছে নয়া গবেষণার তথ্য? বিস্তারিত জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
মাত্র দু'দিন ওটস খেলেই কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব, বলছে গবেষণা। বন ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকরা দেখেছেন, মাত্র দু'দিন ওটস-ভিত্তিক খাবার খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটাই কমে যায় এবং এর সুফল সপ্তাহের পর সপ্তাহ থাকে।
27
এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
ওটসের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার, বিশেষ করে বিটা-গ্লুকান। দিল্লির সিকে বিড়লা হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডঃ সঞ্জীব কুমার গুপ্ত বলছেন, এই উপাদানটি এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
37
অংশগ্রহণকারীদের ওজন গড়ে ২ কেজি পর্যন্ত কমে যায়
এই পরীক্ষায়, মেটাবলিক সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা দু'দিন ধরে শুধুমাত্র ওটস-ভিত্তিক খাবার খান। তাঁরা দিনে প্রায় ৩০০ গ্রাম ওটস খেয়েছিলেন, সঙ্গে ছিল অল্প পরিমাণে ফল বা সবজি। সমীক্ষায় দেখা যায়, তাঁদের এলডিএল (খারাপ কোলেস্টেরল) প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। অংশগ্রহণকারীদের ওজন গড়ে ২ কেজি পর্যন্ত কমে যায়। এছাড়া, রক্তচাপেরও সামান্য উন্নতি দেখা যায়।
গবেষকরা দেখেছেন, ওটস হজমতন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া অর্থাৎ মাইক্রোবায়োমের পরিবর্তন ঘটিয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করে। ওটস-ভিত্তিক ডায়েট অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়, যা মেটাবলিজমকে সাপোর্ট করে এমন যৌগ তৈরি করে। এমনই একটি যৌগ হল ফেরুলিক অ্যাসিড, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
57
এক কাপ ওটসে প্রায় ৪-৬ গ্রাম ফাইবার থাকে
১ কাপ ওটস থেকে প্রায় ৪-৬ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়। ফল, সবজি এবং অন্যান্য শস্যের সঙ্গে ওটস খেলে দৈনিক ২৫-৩৫ গ্রাম ফাইবারের চাহিদা পূরণ হতে পারে। প্রতিদিন নিয়ম করে ১/২ কাপ (৪০ গ্রাম) রোলড ওটস খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং পেটের মেদও কমে।
67
ওটস মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
ওটস মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি শরীরে সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়ায় এবং স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল/অ্যাড্রেনালিন) কমাতে সাহায্য করে। এটি একটি কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট হওয়ায় শরীরকে নিয়মিত শক্তি জোগায়।
77
নিয়মিত ওটস খেলে পেটের মেদ কমে
ওটস খিদে নিয়ন্ত্রণ করে এবং শক্তি জুগিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ওটস খেলে পেটের মেদ কমে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর জন্য স্টিল-কাট বা রোলড ওটস সবচেয়ে ভালো বিকল্প।