আপনার খুদেকে ভোরবেলা জোর করে ঘুম ভাঙিয়ে স্কুলে পাঠান? অজান্তেই করছেন না তো কোনও ভুল?

Published : Feb 22, 2026, 11:57 PM IST
Ranchi CBSE School Admission 2026-27

সংক্ষিপ্ত

School Students: বিরক্ত হয়ে বহু মা-ই জোর চিৎকার করে খুদেকে ঘুম থেকে তোলেন। আপনিও কি সেই তালিকার একজন? তাহলে এই ভুল আর করবেন না। এর ফলে আপনার সন্তানেরই ক্ষতি হচ্ছে।

Parenting Tips: জোর করে বা বকাঝকা করে ঘুম ভাঙিয়ে খুদেকে রোজ স্কুল পাঠানো বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বড় কোনও সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে বাচ্চার মনে স্কুলের প্রতি ভীতি, উদ্বেগ (যেমন: মাথাব্যথা, পেটব্যথা), অমনোযোগিতা, এবং আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ শিশুই ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যেতে কান্নাকাটি করে। তা বলে আপনাকে মেজাজ হারালে চলবে না। পরিবর্তে শিশুকে নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট আগে আলতো করে ডাকুন। তাকে বুকের মাঝে জড়িয়ে জাপটে ধরুন। আলতো হাতে গায়ে, পিঠে, মাথায় হাত বুলিয়ে দিন। মিষ্টি নামে ডাকুন। আদর করুন। তাতেই দেখবেন ধীরে ধীরে হাসিমুখে তার ঘুম ভাঙবে। সে-ও আপনাকে গলা জড়িয়ে আদর করবে। দু’জনের সম্পর্কের ছোঁয়াচ বিনিময়ের পর তাকে বলুন স্কুল যেতে হবে। এবার ঘুম থেকে উঠতে হবে। দেখবেন এক সেকেন্ড সময় নষ্ট না করেই ঘুম থেকে উঠে পড়েছে খুদে।

ঘুমের অভাবে কী কী ক্ষতি ও সমস্যা হতে পারে জানুন বিস্তারিত:

  • শারীরিক ও মানসিক চাপ: পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে বাচ্চার শরীর ক্লান্ত থাকে, যা তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং মেজাজ খিটখিটে করে তোলে।
  • স্কুলভীতি ও অনিচ্ছা: প্রতিদিন জোর করলে বাচ্চার মনে স্কুল সম্পর্কে ভয়ের মনোভাব তৈরি হয়, যা থেকে তারা স্কুল যেতেই চাইবে না।
  • আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া: পড়ার চাপ বা বকাঝকা করলে বাচ্চার মনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, সে নিজেকে 'অযোগ্য' মনে করতে পারে।
  • পড়াশোনায় অমনোযোগ: ঘুমের ঘাটতির কারণে ক্লাসে মনোনিবেশ করতে পারে না, ফলে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

অভিভাবকদের করণীয়:

১. ঘুমের সময় ঠিক করা: বাচ্চার রাতে ঘুমানোর সময় এগিয়ে আনুন যাতে সকালে নিজে থেকেই ঘুম ভেঙে যায়।

২. কাজের চাপ কমানো: সকালে তাড়াহুড়ো কমিয়ে ধীরে সুস্থে তৈরি করুন।

৩. আদর দিয়ে জাগানো: চিৎকার না করে, আদরে বা পছন্দের গানে ঘুম ভাঙান।

৪. সমস্যা শোনা: বাচ্চা কেন যেতে চাইছে না, তা বকাঝকা না করে ঠান্ডা মাথায় বোঝার চেষ্টা করুন।

জোর না করে বাচ্চার মানসিক অবস্থা বুঝে ধীরে ধীরে তাদের অভ্যাসে পরিবর্তন আনাই শ্রেয়।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

রেলওয়ে স্টেশন গুলিতে প্ল্যাটফর্ম টিকিট কাটলে তার বৈধতা কতক্ষণ থাকে জানেন কী?
Brain Foods: বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারে এই ৮টি সুপারফুড?