Kidney Cancer: দিন দিন কিডনি ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। মূত্রতন্ত্রের অন্যতম সাধারণ ক্যানসার হল কিডনি ক্যানসার। কিডনির কোষ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যখন টিউমার তৈরি করে, তখনই এই রোগ বাসা বাঁধে। বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
দিন দিন কিডনি ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। মূত্রতন্ত্রের অন্যতম সাধারণ ক্যানসার হল কিডনি ক্যানসার। কিডনির কোষ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যখন টিউমার তৈরি করে, তখনই এই রোগ বাসা বাঁধে।
27
কিছু রোগীর এমন কিছু লক্ষণ দেখা দেয়, যা উপেক্ষা করা উচিত নয়
কিডনির অস্বাভাবিক কোষ বেড়ে গিয়ে টিউমার তৈরি হলে কিডনি ক্যানসার হয়। এর সবচেয়ে সাধারণ ধরনটি হল রেনাল সেল কার্সিনোমা (RCC)। রক্ত থেকে বর্জ্য ফিল্টার করা ছোট টিউবগুলিতে এটি শুরু হয়। কিছু রোগীর এমন কিছু লক্ষণ দেখা দেয়, যা উপেক্ষা করা উচিত নয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষণগুলি চিনতে পারলে দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং ভালো চিকিৎসা সম্ভব। চলুন কিডনি ক্যানসারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ জেনে নেওয়া যাক।
37
প্রস্রাবে রক্ত দেখা কিডনি ক্যানসারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ
কিডনি ক্যানসারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হল প্রস্রাবে রক্ত। একে হেমাচুরিয়া (hematuria) বলা হয়। রক্তের পরিমাণের উপর নির্ভর করে প্রস্রাবের রঙ গোলাপি, লাল বা কোলার মতো হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, ল্যাব টেস্ট ছাড়া এই রক্তপাত শনাক্ত করা যায় না।
৫০ থেকে ৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে কিডনি ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি
যদিও সংক্রমণ, কিডনিতে পাথর বা অন্যান্য কারণেও হেমাচুরিয়া হতে পারে, তবে এটি কিডনি ক্যানসারেরও একটি লক্ষণ হতে পারে। আসল কারণ জানতে এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
57
কিডনি ক্যানসারের আরেকটি লক্ষণ একটানা পিঠ বা কোমরে ব্যথা
কিডনি ক্যানসারের আরেকটি লক্ষণ হল পিঠ বা কোমরের একপাশে একটানা ব্যথা। সাধারণ মাসল পেইনের মতো নয়, এই অস্বস্তি সাধারণত শরীরের এক দিকেই অনুভূত হয়। বিশ্রাম, ব্যায়াম বা ওষুধে এই ব্যথা কমে না।
67
একটানা ব্যথা হলে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞকে দেখান
কিডনির টিউমার বড় হওয়ার সাথে সাথে এটি আশেপাশের টিস্যু এবং অঙ্গের উপর চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে হালকা থেকে মাঝারি অস্বস্তি হতে পারে। যদিও পিঠব্যথা অনেক কারণেই হতে পারে, তবে একটানা ব্যথা হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান।
77
শরীরের ওজন কমে যাওয়া
আরেকটি বড় লক্ষণ হল কোনও কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া। কিডনি ক্যানসারে আক্রান্তদের স্বাভাবিক ডায়েট এবং অ্যাক্টিভিটি লেভেল বজায় রাখা সত্ত্বেও শরীরের ওজন অনেকটা কমে যেতে পারে। ক্যানসার শরীরের মেটাবলিজমকে প্রভাবিত করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে বলে এই ওজন হ্রাস ঘটে। ওজন কমার সাথে প্রায়শই ক্লান্তি এবং খিদে কমে যাওয়ার মতো লক্ষণও দেখা যায়।