যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁরা রোজকার ডায়েটে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার অবশ্যই রাখুন। ওয়েট লিফটিং, দৌড়ানো বা সাইক্লিংয়ের সময় আমাদের পেশি বারবার সংকুচিত হয়। পটাশিয়াম কোষের ভেতরে তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং স্নায়ুর কাজ স্বাভাবিক রাখে। শরীরে পটাশিয়াম কমে গেলে পেশির দুর্বলতা, ক্র্যাম্প এবং অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। পেশি মজবুত করতে কোন ৭টি খাবার খাবেন, তা দেখে নিন।
28
কলা পটাশিয়াম এবং কার্বোহাইড্রেটের দারুণ উৎস। এর কার্বোহাইড্রেট শরীরে এনার্জি ফিরিয়ে আনে। অন্যদিকে পটাশিয়াম পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখে। ওয়ার্কআউটের আগে একটি কলা খেলে শরীরে এনার্জি লেভেল একধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যায়।
38
আলু পটাশিয়ামের খুব ভালো উৎস। বিশেষ করে খোসাসমেত আলু খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট ব্যায়ামের জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগায় এবং পেশির গ্লাইকোজেন স্টোর পুনরুদ্ধার করে। ডিম, মাছ, চিকেন বা ডালের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে সেদ্ধ বা বেক করা আলু খেতে পারেন।
48
পালং শাকে পটাশিয়াম ছাড়াও ফোলেট, ভিটামিন কে এবং অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। রোজকার খাবারে পুষ্টির পরিমাণ বাড়াতে ডাল, সবজি, স্যুপ বা অমলেটে পালং শাক মিশিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত সবুজ শাকসবজি খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি মেটে।
58
ডাবের জলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং তরল থাকে। ব্যায়ামের পর শরীরে জলের ঘাটতি মেটাতে ডাবের জল দারুণ কাজ করে। এটি ক্লান্ত পেশিকে দ্রুত আরাম দেয় এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
68
মুসুর ডাল, রাজমা, ছোলা এবং অন্যান্য শস্যদানায় পটাশিয়াম, প্ল্যান্ট-বেসড প্রোটিন, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে। যাঁরা নিরামিষ খান, তাঁদের পেশির রিকভারির জন্য এই খাবারগুলো ভীষণ উপকারী। রোজকার ডায়েটে ডাল বা রাজমা রাখলে শরীর পর্যাপ্ত পটাশিয়াম ও প্রোটিন পায়।
78
অ্যাভোকাডোতে পটাশিয়াম, ফাইবার এবং আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। স্যালাড, স্যান্ডউইচ বা অন্য কোনও সুষম আহারের সঙ্গে আপনি অনায়াসেই অ্যাভোকাডো খেতে পারেন। এটি পেশির স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো।
88
টক দইয়ে প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি পটাশিয়ামও থাকে। ওয়ার্কআউটের পর স্ন্যাকস হিসেবে টক দই খাওয়া খুব উপকারী। চিনি ছাড়া টক দইয়ের সঙ্গে ফল, ওটস বা বাদাম মিশিয়ে খেলে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিনের দারুণ ব্যালেন্স তৈরি হয়।