Overnight Oats For Weight Loss: ওজন কমানোর জন্য ওভারনাইট ওটস দারুণ কাজ করে। ওটসে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। রোজকার ডায়েটে এই খাবার রাখা খুবই স্বাস্থ্যকর।
ওজন কমানোর জন্য ওভারনাইট ওটস দারুণ উপকারী। ওটসে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এতে বিটা-গ্লুকান নামের এক ধরনের ফাইবার থাকে। এটি হজমনালিতে কোলেস্টেরলের সঙ্গে মিশে খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
27
ওভারনাইট ওটস খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে
ওভারনাইট ওটস খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক থাকে। এটি পেট ভরিয়ে রাখে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ওটসের ফাইবার হজম প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়, ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। এর ফলে সারা দিন ধরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।
37
সারা দিন ধরে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়
ফাইবার হজম প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়, ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। এটি সারা দিন ধরে উল্টোপাল্টা খাওয়ার ইচ্ছে কমিয়ে দেয়। ওটসের মধ্যে প্রোটিন, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, বি ভিটামিন এবং প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।
ওজন কমাতে সঠিক মাপে ওটস বানানো জরুরি। আধা কাপ ওটস, আধা গ্লাস দুধ, ১ কাপ দই, ১ চামচ চিয়া সিড, ২টো খেজুর, ১টা আপেল, সামান্য দারুচিনি গুঁড়ো এবং ১ চামচ মধু নিন। এই সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়েই স্বাস্থ্যকর ওভারনাইট ওটস তৈরি করতে হবে।
ওটস, দুধ, দই, চিয়া সিড, মধু, কাটা খেজুর আর দারুচিনি গুঁড়ো একসঙ্গে একটি পাত্রে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণটি সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে ফ্রিজ থেকে বের করে ঠান্ডা কিছুটা কমলে আপেলের টুকরো ছড়িয়ে খেয়ে নিন। গরুর দুধের বদলে আমন্ড মিল্কও ব্যবহার করতে পারেন।
67
প্লেন রোলড বা স্টিল-কাট ওটসের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে
প্লেন রোলড বা স্টিল-কাট ওটসের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশ কম থাকে। অন্যদিকে, বাজারে পাওয়া ফ্লেভারড ইনস্ট্যান্ট ওটসে প্রচুর পরিমাণে চিনি মেশানো থাকে। এই ধরনের ফ্লেভারড ওটস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।
77
ওটস খেলে খিদে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং স্ন্যাকস খাওয়ার ইচ্ছে কমে
সকালে এক বাটি ওটস খেলে খিদে নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর ফলে বারবার স্ন্যাকস খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। এটি শুধু ওজন কমাতেই সাহায্য করে না, সারা দিন শরীর চনমনে রাখে এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখে। পেটের মেদ কমাতে বা ক্যালরি মাপতে চাইলে ওটস সেরা অপশন।