গোয়া মানেই সমুদ্রসৈকত, কিন্তু সব বিচ এক রকম নয়। আপনি যদি ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে সাদা বালি আর টলটলে নীল জলের খোঁজ করেন, তবে দক্ষিণ গোয়ার এই সুন্দর সৈকতগুলো আপনার জন্য একদম পারফেক্ট।
দক্ষিণ গোয়ার সবচেয়ে সুন্দর সৈকতগুলোর মধ্যে পালোলেম অন্যতম। এর অর্ধচন্দ্রাকার রূপ, সাদা বালি আর দুই পাহাড়ের মাঝের নীল জল পর্যটকদের মুগ্ধ করে। আবহাওয়া ভালো থাকলে এখানকার শান্ত সমুদ্র স্নান করার জন্য দারুণ। এই তালিকায় থাকা বিচগুলোর মধ্যে এখানে পৌঁছানো সবচেয়ে সহজ। কারণ মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে কানাকোনা রেলওয়ে স্টেশন।
25
২. অ্যাগোন্ডা বিচ
যে পর্যটকরা নিরিবিলি পরিবেশ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এই বিচ একদম আদর্শ। পাম আর ঝাউ গাছে ঘেরা এই সৈকত প্রায় ৩ কিলোমিটার লম্বা। তবে এখানে সমুদ্রে স্নান করা বেশ বিপজ্জনক, তাই পর্যটকদের জলে নামতে বারণ করা হয়।
35
৩. বাটারফ্লাই বিচ
কানাকোনা এলাকায় সবুজ প্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে রয়েছে ছোট্ট বাটারফ্লাই বিচ। পালোলেম বা অ্যাগোন্ডার মতো কাছের বিচগুলো থেকে নৌকায় চেপে এখানে পৌঁছানো যায়। এছাড়া জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ট্রেকিং করেও এখানে আসার রাস্তা রয়েছে। চারপাশের এই নির্জনতাই জায়গাটির আসল সৌন্দর্য।
45
৪. কোলা বিচ
খোলা বিচকেই সাধারণত কোলা বিচ বলা হয়। আরব সাগরের ঠিক পাশেই একটি মিষ্টি জলের লেগুন থাকায় জায়গাটি বেশ অন্যরকম। নীলচে-সবুজ রঙের জন্য এই মিষ্টি জলের লেগুনটি ব্লু বা এমারেল্ড লেগুন নামেও পরিচিত। পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই বিচ পর্যটকদের দারুণ পছন্দ।
55
৫. গালগিবগা বিচ
দক্ষিণ গোয়ার গালগিবগা বিচ তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এটি এখানকার সবচেয়ে শান্ত সৈকতগুলোর মধ্যে একটি। গোয়ার অন্যান্য জমজমাট বিচের তুলনায় এখানে বাণিজ্যিক কাজকর্ম অনেক কম।
জরুরি তথ্য: "পরিষ্কার জল" মানেই যে তা সবসময় একই রকম থাকবে, এমনটা নয়। বৃষ্টি, জোয়ার-ভাটা এবং ঢেউয়ের কারণে জলের স্বচ্ছতা বদলাতে পারে।