শীতকালে দই খেলে সর্দি-কাশি হতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু সত্যিই কি দই খেলে ঠান্ডা লাগে? এর উত্তর আসলে নির্ভর করে আপনার শারীরিক গঠন এবং খাদ্যাভ্যাসের ওপর।
27
দইয়ে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও উপকারী ব্যাকটেরিয়া।
দইয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং অন্ত্রের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকলেও সুষম ডায়েটের অংশ হিসেবে আপনি অনায়াসেই দই খেতে পারেন। তবে দই খাওয়ার পর যদি কোনো অস্বস্তি হয়, তাহলে পরিমাণটা একটু কমিয়ে দেওয়াই ভালো।
37
প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও বি ভিটামিনের দারুণ উৎস দই।
দইয়ে থাকা জীবন্ত অণুজীব আমাদের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং হজমশক্তি বাড়ায়। এছাড়াও এতে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও বি ভিটামিন রয়েছে। এই পুষ্টিগুণ শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই রোজকার ডায়েটে দই রাখা বেশ উপকারী।
47
দই খেলে সরাসরি সর্দি-কাশি হয় না।
দই খেলে সরাসরি সর্দি-কাশি হয় না। সাধারণত ভাইরাসের কারণেই ঠান্ডা লাগে। তবে গলা ব্যথা বা নাক বন্ধ থাকলে ঠান্ডা খাবার খেলে অনেকের অস্বস্তি হতে পারে। দই খাওয়ার পর যদি দেখেন সমস্যা বাড়ছে, তাহলে খাওয়া কমিয়ে দিন।
57
রাতে দই খাওয়া নিয়ে প্রচলিত ধারণা।
পুরনো খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী রাতে দই খেতে বারণ করা হয়, বিশেষ করে যাদের কফের ধাত রয়েছে। তবে রাতে দই খেলে যে সরাসরি কফ বাড়ে, তার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। আপনার হজমশক্তি ভালো থাকলে নিজের পছন্দমতো সময়েই দই খেতে পারেন।
67
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও ওজন কমাতে দইয়ের জুড়ি মেলা ভার।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, হার্ট ভালো রাখা এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে দই দারুণ কাজ করে। অন্ত্র ভালো রাখতে প্রোবায়োটিকের সেরা উৎস হলো দই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে ঘরের তাপমাত্রায় রাখা দই খেলে শরীরের কোনো ক্ষতি তো হয়ই না, বরং উপকারই মেলে।
77
ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর দই।
দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। ক্যালসিয়ামের ভাণ্ডার হওয়ায় এটি দাঁত ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়মিত দই খেলে অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ে, যা বদহজম, পেটের গোলমাল ও গ্যাসের সমস্যা দূর করে।