
Cricketer Mukul Choudhary: বাড়ি বিক্রি করে দিতে হয়েছিল। ঋণ নিতে হয়েছিল। ঋণের কিস্তির টাকা ঠিক সময়ে পরিশোধ করতে না পারায় জেলেও যেতে হয়েছিল। আত্মীয়দের গঞ্জনাও সহ্য করতে হয়েছিল। আইপিএল-এ (IPL 2026) লখনউ সুপার জায়ান্টসের (Lucknow Super Giants) তরুণ তারকা মুকুল চৌধুরীকে ক্রিকেটার করে তোলার জন্য এত কষ্টই করেছেন তাঁর বাবা দলীপ চৌধুরী (Dalip Choudhary)। তিনি জানিয়েছেন, '২০১৬ সালে রাজস্থানের (Rajasthan) সিকার শহরে (Sikar) আমাদের বাড়ি থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে এসবিএস ক্রিকহাবে (SBS Crickhub) মুকুলকে যখন ভর্তি করি, তখন আমি বুঝতে পারি, আমার কাছে যথেষ্ট টাকা নেই। আমার নিয়মিত রোজগার ছিল না। এই কারণে বাড়ি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। বাড়ি বিক্রি করে আমি ২১ লক্ষ টাকা পাই। যাঁর কাছে বাড়ি বিক্রি করি, তাঁকে পুরো টাকা আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে বলি। কারণ, আমি সবকিছুর নথি রাখতে চেয়েছিলাম। পরের বছর আমি হোটেল খুলি। তার জন্য ফের ঋণ নিতে হয়। আমি ঠিক সময়ে ঋণের কিস্তির টাকা দিতে পারিনি। এই কারণে আমাকে জেলে যেতে হয়। তবে আমি কখনও প্রতারণা করিনি।'
দলীপ আরও জানিয়েছেন, ‘আমি ২০০৩ সালে স্নাতক হই। সে বছরই আমি বিয়ে করি। আমার স্বপ্ন ছিল, ছেলে হলে ও ক্রিকেট খেলবে। পরের বছর আমার ছেলে হয়। ওর ছোটবেলা থেকেই আমি সিদ্ধান্ত নিই, ওকে ক্রিকেটার করে তোলার জন্য সবকিছু করব। এত লোক যখন ছেলেকে ক্রিকেটার করে তুলতে পারে, তাহলে আমি পারব না কেন?’
এবারের আইপিএল-এর নিলামে (IPL 2026 Auction) ২.৬ কোটি টাকা দিয়ে মুকুলকে দলে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) বিরুদ্ধে অপরাজিত অর্ধশতরান করে দলকে প্রায় হারা ম্যাচ জিতিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার যোগ্য মর্যাদা দিয়েছেন মুকুল। ফলে তাঁর বাবার স্বপ্নপূরণ হয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।