
FIFA World Cup 2026: লিওনেল স্কালোনি (Lionel Scaloni) বনাম লুই ডে লা ফুয়েন্তে (Luis de la Fuente)। লিওনেল মেসি (Lionel Messi) বনাম ল্যামিন ইয়ামাল (Lamine Yamal)। ভারতীয় সময় অনুযায়ী রবিবার মধ্যরাতে বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বনাম ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের (Argentina vs Spain) ম্যাচে শুধু দুই দলেরই নয়, অনেক ব্যক্তিগত লড়াইও দেখা যেতে চলেছে। একদিকে স্পেনের বিখ্যাত তিকিতাকা, অন্যদিকে আর্জেন্টিনার ভয়ঙ্কর প্রতি-আক্রমণ। স্পেনের জমাট রক্ষণ, দুর্দান্ত মাঝমাঠ বড় শক্তি। আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় শক্তি মেসি। তবে শুধু অধিনায়কই নন, অন্য ফুটবলাররাও লড়াই করছেন। স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমন (Unai Simón) দুর্ভেদ্য হয়ে উঠেছেন। আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (Emiliano Martínez) গতবার বিশ্বকাপের অন্যতম নায়ক। তিনি এবারও দলকে খেতাব জেতাতে তৈরি।
বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালে স্পেনের বিরুদ্ধে গোলের জন্য মেসির দিকে তাকিয়ে। চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল বদলে বাজিমাত করছে। কখনও ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে তোলা, কখনও মাঝমাঠে ফুটবলার বাড়ানো, নিজেদের অর্ধে প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের টেনে এনে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে প্রতি-আক্রমণে গোল তুলে নেওয়া, এভাবেই খেলছে স্কালোনির দল। পিছিয়ে পড়েও হাল না ছেড়ে দিয়ে শেষমুহূর্তে গোল করে ম্যাচ জেতার জন্য বিখ্যাত হয়ে গিয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে মেসির পায়ে দিতে পারলেই কেল্লাফতে। এভাবেই ফাইনালে জয়ের স্বপ্ন দেখছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।
নিজেদের পায়ে বল রাখা, বলের দখল হারালে যত দ্রুত সম্ভব প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের পা থেকে বল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া-নেওয়া করা, ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে তোলা, জায়গা বদলে প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের বিভ্রান্ত করে দেওয়া, দুই সাইডব্যাকের ওভারল্যাপ স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশ্বকাপ ফাইনালেও এভাবেই খেলে জয় পেতে চাইছে স্পেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।