
Manchester City FC: ম্যাঞ্চেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের (Premier League) আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিই প্রমাণিত হয়েছে। আট বছর ধরে চলা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর একটি স্বাধীন কমিশন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে ইংল্যান্ডের (England) এই ক্লাবের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। যদিও ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী, আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা, পয়েন্ট কেটে নেওয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে তদন্তের আওতাভুক্ত সময়ে ম্যান সিটির জেতা খেতাব কেড়ে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও আলোচনা চলছে। ম্যান সিটি অবশ্য আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ক্লাবের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন জানাতে পারে।
২০১৮ সালের নভেম্বরে এক জার্মান পত্রিকা ম্যান সিটির আর্থিক নথি সংক্রান্ত কিছু ফাঁস হওয়া তথ্য প্রকাশ করার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ক্লাবের আর্থিক লেনদেন নিয়ে দীর্ঘ তদন্ত চালায় প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ম্যান সিটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ১১৫টি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে ছিল ক্লাবের আর্থিক তথ্য সঠিকভাবে না দেওয়ার অভিযোগ। বিশেষ করে খেলোয়াড় ও কোচদের দেওয়া অর্থ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। উয়েফার (UEFA) আর্থিক নিয়ম এবং প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ছিল।
স্বাধীন কমিশনের হাতে জরিমানা, পয়েন্ট কাটা এবং অন্যান্য শাস্তি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে ম্যান সিটির বিরুদ্ধে কী শাস্তি দেওয়া হবে, তা জানা যায়নি। এমনকী, আগের মরসুমগুলিতে পাওয়া পয়েন্ট কেটে নেওয়া হলে তার প্রভাব কী হবে, সে বিষয়েও এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। ম্যান সিটি ২০০৮ সালে শেখ মনসুরের (Sheikh Mansour) আবু ধাবি ইউনাইটেড গ্রুপের (Abu Dhabi United Group) মালিকানায় আসার পর থেকে আট বার প্রিমিয়ার লিগ খেতাব জিতেছে। তদন্তের আওতাভুক্ত সময়ের মধ্যে ছয় বার প্রিমিয়ার লিগ খেতাব জিতেছে ম্যান সিটি। ফলে শাস্তির ধরন এবং তার প্রয়োগের ওপর নির্ভর করবে বিগত মরসুমগুলির ফলাফল বা খেতাবের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন আসে কি না।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।