Abhishek Banerjee: বাংলার রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে চর্চিত নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো এবং তৃণমূলের অন্যতম প্রধান। যুব সমাজের কাছে পৌঁছনো থেকে শুরু করে ভোটের পরিকল্পনা, সবেতেই তিনি দলের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) একজন শীর্ষ নেতা। তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মণ্ড হারবারের সাংসদ ও সদ্য পরাজিত তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এবং বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপোও বটে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের হাত ধরে তাঁর রাজনীতিতে প্রবেশ। ধীরে ধীরে তিনি বাংলার রাজনীতিতে দলের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ হয়ে ওঠেন।
25
আক্রমণাত্মক প্রচারে নজর কাড়ে অভিষেক
নিজের আক্রমণাত্মক প্রচার এবং শক্তিশালী সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য অভিষেক দ্রুত নজর কাড়েন। পরে তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন এবং দলের যুব শাখাকে আরও মজবুত করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে কাছের রাজনৈতিক সঙ্গী এবং দলের অন্যতম শক্তিশালী নেতা হিসেবে উঠে আসেন।
35
ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের সাংসদ
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। এই অঞ্চলে তাঁর শক্তিশালী জনসমর্থন রয়েছে। তাঁর জনসভার ভাষণ, সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল এবং কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তাঁকে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় তৈরি করতে সাহায্য করেছে। অনেক সমর্থক তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন প্রজন্মের মুখ হিসেবে দেখেন।
সাম্প্রতিক নির্বাচনী আবহের পর তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে উত্তেজনা রয়েছে। বাংলায় ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূল কংগ্রেস বড় রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে। বিরোধী দলগুলো রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতির অভিযোগ এবং রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
55
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্তরসূরি
ডিজিটাল প্রচার, বুথ-স্তরের পরিকল্পনা এবং যুব সমাজকে একত্রিত করে তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচারকে আধুনিক করার কৃতিত্ব প্রায়শই অভিষেককে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দলের দীর্ঘমেয়াদী কৌশল তৈরিতে তিনি বড় ভূমিকা পালন করেন। সমর্থকরা তাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্তরসূরি এবং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে দেখেন।