
Camac Street Case: ভোররাতে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ভাঙচুর, বিজেপির বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ কালীঘাট পন্থী তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্যায়ের
ভোররাতে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে ঢুকে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ। সকাল সকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই অভিযোগ তোলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগের সঙ্গে একটি ভিডিও-ও পোস্ট করেন তিনি।
অভিষেকের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির লোকজন জোর করে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে হামলা চালায়। কর্মীদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়, অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে তছনছ করা হয় বলেও অভিযোগ।
ঘটনার পর ক্যামাক স্ট্রিটে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যেই হামলার অভিযোগে ৬ জনকে আটক করেছে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। অভিষেকের আরও অভিযোগ, বারবার ফোন এবং ইমেল করে পুলিশকে জানানো হলেও প্রায় দু’ঘণ্টা কোনও সাড়া মেলেনি। কেন সময়মতো পুলিশ ব্যবস্থা নিল না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই অভিযোগ করেছেন তাঁর অফিসের কর্মীরাও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যামাক স্ট্রিটে শুরু হয়েছে পুলিশি তদন্ত।
This is what the BJP has done to my party office in the early hours of this morning.
Will the Governor of WB act? Will the Union Home Minister act? Will the PMO act? Or will they continue to look the other way?
It is high time the judiciary, particularly the Calcutta High… pic.twitter.com/SLNwNQ6u7k— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 3, 2026
প্রসঙ্গত, ক্যামাকস্ট্রিট কাণ্ডে মঙ্গলবার দুপুরে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু থানা থেকে বেরিয়ে এসে রীতিমত সরব হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ক্যামাকস্ট্রিক কাণ্ডে অতিক্রিয় ছিল পুলিশ। থানা থেকে বেরিয়ে এসেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, 'ওঁদের যা ক্ষমতা আছে করুক।'
ক্যামাক স্ট্রিটের পার্টি অফিসে তৃণমূল কংগ্রেসের বিলবোর্ড খুলতে গিয়েছিল কলকাতা পুলিশ ও পুরসভা। সরকারি কাজে বাধা দিয়েছিলেন অভিষেক। সেই অভিযোগেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তাতেই শেক্সপিয়র সরণি থানায় তাঁকে তলব করে। তাতেই মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১৭ মিনিট নাগাদ থানায় হাজিরা দেন। সন্ধ্যায় থানা থেকে বেরহন। থানা থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, 'একটা সাইন বোর্ড নামানোর জন্য কলকাতা পুলিশের ১০০০ কর্মী পাঠানো হয়েছে। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করার জন্য করা হয়েছে' । তারপরই অভিষেক বলেন, এক মাসে আগে যদি প্রশাসন তৎপর হতো তাহলে নিউমার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে এতগুলি মানুষের মৃত্যু হত না। তিনি বলেন, 'নির্বাচনের ফল ঘোষণার মাত্র এক মাস পরেই আলিপুরে ৪০০০ কন্ট্রোল ইউনিট পুড়ে গেল। তখন ফায়ার অডিট হয়নি। '
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।