Abhishek Banerjee News: এবারের বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Assembly Elections) তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) হেরে যাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন শাসক দলের দু'নম্বর প্রধান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর দফতর নিয়েও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা
৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর খালি করা নিয়ে মামলা দায়ের করেছেন বাড়ির মালিক।

Abhishek Banerjee Controversy: কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে নিম্ন আদালতে। বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সিটি সিভিল কোর্টকে নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি সন্দীপকুমার দে-র ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন। তাই নিম্ন আদালতেই সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শুনে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুজোর ছুটি শেষ হওয়ার পর আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হলে ১৫ দিনের মধ্যে সম্পত্তি খালি করার নোটিসকে কেন্দ্র করে দেওয়া ‘ইনজাংশন’ বা ‘স্টেটাস কো’ সংক্রান্ত বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হবে। কোনও পক্ষের প্রতি পক্ষপাত না করে দ্রুত শুনানি শেষ করার নির্দেশও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

অভিষেকের দফতর নিয়ে তীব্র বিতর্ক

৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে সপ্তম এবং অষ্টম তলে অভিষেকের দফতর। ২৭ অগস্ট এই দফতরে লাগানো বিলবোর্ড খুলতে যান কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। সেই সময় তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের তীব্র বচসা হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তধস্তিও হয় অভিষেকের অনুগামীদের। এই সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ না-করায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস। এর মধ্যেই দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে এই বাড়ির মালিককে নোটিস পাঠানো হয়। এই নোটিসে বলা হয়, ওই বাড়ির সপ্তম ও অষ্টম তলে অগ্নিনিরোধক ব্যবস্থা যথাযথ নয়। তাই অবিলম্বে তা খালি করতে হবে।

অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতে বাড়ির মালিক

ক্যামাক স্ট্রিটের এই বাড়ির মালিক রামাদেবী গোয়েঙ্কা। তাঁর আইনজীবী সাগ্নিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ২০২০ সালের ১ মার্চ তাঁর মক্কেল এবং যুব তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে বাড়ির লিজ নিয়ে চুক্তি হয়। যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই চুক্তিতে সই করেন দেবরাজ চক্রবর্তী। লিজের মেয়াদ ছিল ১০ বছর। কিন্তু চুক্তির একটি ধারায় বলা হয়েছিল, মালিকপক্ষ শংসাপত্র দেবে, তারপরেই দফতর পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। মালিকপক্ষ সিসি দেয়নি। তা সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেস জোর করে বাড়ির ওই অংশ দখল করে। মালিকপক্ষ অভিষেকদের দফতর খালি করার নির্দেশ দেয়। সিটি সিভিল কোর্টের বিচারপতি সুধীর কুমার নির্দেশ দেন, মূল মামলার নিষ্পত্তি না-হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বাড়ির মালিক। এই মামলা নিম্ন আদালতই ফেরাল হাইকোর্ট।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।